<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিশ্বের বাজার &#8211; Capital News</title>
	<atom:link href="https://capitalnewsbd.com/category/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://capitalnewsbd.com</link>
	<description>Business News Portal</description>
	<lastBuildDate>Fri, 08 Aug 2025 13:29:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.2</generator>

<image>
	<url>https://capitalnewsbd.com/wp-content/uploads/2025/07/cropped-cropped-cropped-cropped-unnamed-e1751986389941-32x32.png</url>
	<title>বিশ্বের বাজার &#8211; Capital News</title>
	<link>https://capitalnewsbd.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>জাপানে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি, ভোক্তারা চাপে</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 02:39:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বের বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=4157</guid>

					<description><![CDATA[টোকিও, ৫ আগস্ট, ২০২৫ – মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের অব্যাহত দুর্বলতা দেশটিতে আমদানি করা খাদ্যদ্রব্যের দাম দ্রুত বাড়িয়ে দিচ্ছে।&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>টোকিও, ৫ আগস্ট, ২০২৫</b> – মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের অব্যাহত দুর্বলতা দেশটিতে আমদানি করা খাদ্যদ্রব্যের দাম দ্রুত বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে সাধারণ জাপানি পরিবারগুলোর ওপর জীবনযাত্রার খরচ সামলানোর চাপ তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে, তেল, মাংস এবং শস্যের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের বাজেটের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।</p>
<p>এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো জাপানের মুদ্রা ইয়েনের দুর্বল হয়ে পড়া। জাপান তার প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে। যখন ইয়েন দুর্বল হয়, তখন একই পরিমাণ আমদানি করা পণ্যের জন্য বেশি ইয়েন খরচ করতে হয়। ফলে পণ্যগুলোর খুচরা মূল্য বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা গরুর মাংস বা অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা গমের দাম এখন অনেক বেশি। একজন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক বলেছেন, &#8220;ইয়েনের এই দুর্বলতা জাপানের আমদানিভিত্তিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় আঘাত।&#8221;</p>
<p>দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অফ জাপান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে একটি শিথিল মুদ্রানীতি অনুসরণ করে আসছে। এই নীতির কারণে ইয়েন দুর্বল হয়েছে, যা জাপানের রপ্তানিমুখী কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক। কারণ, দুর্বল ইয়েনের কারণে বিদেশে জাপানি পণ্য বিক্রি করা সহজ হয়। কিন্তু এর নেতিবাচক দিক হলো, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়া। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি একটি জরুরি বৈঠক করেছে। তবে ব্যাংকটি এখনো সুদের হার বাড়ানোর মতো কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, কারণ এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জাপানের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। অনেক পরিবার এখন তাদের কেনাকাটার অভ্যাস পরিবর্তন করছে। তারা কম দামের বিকল্প পণ্য খুঁজছে, কম পরিমাণে কিনছে এবং বাইরে খাওয়া কমিয়ে দিচ্ছে। টোকিওর এক গৃহিণী বলেন, &#8220;সবকিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে। আগে যেখানে সপ্তাহের বাজার এক হাজার ইয়েনে হয়ে যেত, এখন সেখানে এক হাজার তিনশ ইয়েনের বেশি লাগছে। আমাদের এখন খুব হিসাব করে চলতে হচ্ছে।&#8221;</p>
<p>খাদ্যদ্রব্যের এই মূল্যবৃদ্ধি শুধু ভোক্তাদেরই নয়, রেস্তোরাঁ এবং সুপারমার্কেটগুলোর জন্যও সমস্যা সৃষ্টি করছে। তাদের হয় বর্ধিত খরচ নিজেরা বহন করতে হচ্ছে (যার ফলে লাভ কমে যাচ্ছে) অথবা ভোক্তাদের ওপর সেই বোঝা চাপিয়ে দিতে হচ্ছে (যার কারণে ক্রেতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে)। এমন পরিস্থিতিতে জাপান সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ভর্তুকি বা করছাড়ের মতো কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, যাতে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপানের অর্থনীতি এখন একটি উভয়সংকটের মধ্যে রয়েছে। একদিকে, রপ্তানিমুখী কোম্পানিগুলোকে চাঙ্গা রাখতে ইয়েনকে দুর্বল রাখতে হচ্ছে। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক নীতির প্রয়োজন, যা জাপানের নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দ্বিতীয় দিনেও নিম্নমুখী যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের বাজার</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 25 Jul 2025 05:44:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বের বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3333</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের বাজার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো নিম্নমুখী হয়েছে, কারণ নতুন বেকার ভাতার আবেদনের সংখ্যা (jobless claims) কমেছে, যা&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><span class="citation-83 citation-end-83"><strong>যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি</strong> বন্ডের বাজার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো নিম্নমুখী হয়েছে, কারণ নতুন বেকার ভাতার আবেদনের সংখ্যা (jobless claims) কমেছে, যা শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</span> এই পরিস্থিতি ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার কমানোর পথে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।</p>
<p>২৪শে জুলাই, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯শে জুলাইয়ে শেষ হওয়া সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেকার ভাতার জন্য প্রাথমিক আবেদনকারী সংখ্যা ৪,০০০ কমে ২,১৭,০০০-এ দাঁড়িয়েছে। এটি এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে সর্বনিম্ন সংখ্যা। অর্থনীতিবিদরা যেখানে এই সংখ্যা ২,২৭,০০০-এ পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, সেখানে এই অপ্রত্যাশিত পতন শ্রমবাজারের শক্তিশালী অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
<p>শ্রমবাজার শক্তিশালী থাকা মানে হল অর্থনীতিতে এখনও চাপ কম। যখন বেকারত্বের হার কম থাকে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়, তখন ফেড সাধারণত উচ্চ মূল্যস্ফীতি রোধ করার জন্য সুদের হার দীর্ঘ সময়ের জন্য উচ্চ রাখে বা কমানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকে।</p>
<p>বেকার ভাতার দাবি কমে যাওয়ায় ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড (yield) বেড়েছে। ইল্ড এবং বন্ডের দামের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে, অর্থাৎ ইল্ড বাড়লে বন্ডের দাম কমে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, শ্রমবাজারের এই স্থিতিশীলতা ফেডকে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ সুদের হার কমানোর বিষয়ে আরও বেশি সতর্ক করে তুলবে।</p>
<p>বিশেষ করে স্বল্প-মেয়াদী ট্রেজারি বন্ডগুলো মুদ্রানীতির পরিবর্তনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। গতকাল, বেশিরভাগ ট্রেজারি ইল্ড প্রায় তিন বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্বল্প-মেয়াদী ঋণ দ্বারা চালিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, ৪.১% বেকারত্বের হারে ফেডের পক্ষে বিশ্বাসযোগ্যভাবে হার কমানো কঠিন হতে পারে।</p>
<p>বর্তমানে, ট্রেজারি বিনিয়োগকারীরা মূলত সাপ্তাহিক বেকার ভাতার প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন। লাগাতার ছয় সপ্তাহ ধরে বেকার ভাতার দাবিতে পতন শ্রমবাজারে চাপ না থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে, কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন যে, শ্রম সরবরাহ এবং অভিবাসনের মতো বিষয়গুলো শ্রমবাজারের ডেটা বিশ্লেষণকে জটিল করে তুলছে।</p>
<p>বাজারের প্রত্যাশা ছিল যে সুদের হার কমানো সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে শুরু হবে, কিন্তু যদি বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত থাকে, তবে এই প্রত্যাশা পূরণ নাও হতে পারে। আগামী সপ্তাহে ফেডের বৈঠক, জিডিপি (GDP) এবং বেতন-ভাতার ডেটা প্রকাশের পর বাজারের একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আবার ওষুধে শুল্ক আরোপের কথা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 02:06:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বের বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=2817</guid>

					<description><![CDATA[আবারও ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপের কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প। চলতি মাসের শেষ দিকে ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করা&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আবারও ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপের কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প। চলতি মাসের শেষ দিকে ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। পাশাপাশি শিগগিরই সেমিকন্ডাক্টরের (চিপস) ওপরও শুল্ক বসানো হতে পারে।</p>
<p>আগামী ১ আগস্ট থেকে যে পাল্টা শুল্ক কার্যকর হতে যাচ্ছে, এসব নতুন শুল্ক তার সঙ্গেই কার্যকর হতে পারে। মঙ্গলবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক সম্মেলনে অংশ নিয়ে ফেরার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।</p>
<p>ট্রাম্প আরও বলেন, শুরুতে ওষুধে স্বল্প হারে শুল্ক আরোপ করা হবে। এক বছর পর শুল্কহার অনেক বেড়ে যাবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে নিজস্ব উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য কোম্পানিগুলোকে সময় দেওয়া হবে। ব্লুমবার্গের সূত্রে ইকোনমিক টাইমস এ খবর দিয়েছে।</p>
<div id="90b4ae36-517c-465c-a8b3-c33127d23387">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ট্রাম্প আরও জানান, সেমিকন্ডাক্টরের ক্ষেত্রে সময়সূচি প্রায় একই রকম, তবে এসব পণ্যের ওপর শুল্ক বসানো অপেক্ষাকৃত সহজ হবে। এর আগে এপ্রিল মাসে দেশটির ফেডারেল রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক নোটিশে এই তথ্য জানিয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার ট্রাম্প সে কথার পুনরাবৃত্তি করলেন।</p>
<p>এপ্রিলে ফেডারেল রেজিস্ট্রার দপ্তরের ঘোষণায় বলা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তার কারণে ওষুধ ও চিপে শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন ট্রাম্প। কিন্তু বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ওষুধ কোম্পানিগুলো যাতে যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা চালু করে, সেই চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। এ জন্য শুল্কের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার পথে হাঁটছেন। তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, আমাদের বাজার বড়। তাই শিগগির আমরা ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর বড় ধরনের শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেব। ’ মূলত ওষুধের ক্ষেত্রে বিদেশি নির্ভরতা কমাতে চান তিনি।</p>
<p>এ ছাড়া ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, তামার ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ওষুধ আমদানির ওপর শুল্ক এক বছরের মধ্যে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, বিদেশি ওষুধের দাপটে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। এ নিয়ে তিনি ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ধারা ২৩২ অনুযায়ী তদন্তও শুরু করেছেন।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div class="dfp-ad-unit print-none " data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="mcanvas1x1-99a5aa61-5570-40dc-a4a8-3c20c07db2d1-0-0" class=" adBox" data-google-query-id="CJWQyvLx0Y4DFYmGZgId5zQP7g">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_4__container__">এ ধরনের শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক, যেমন এলি লিলি, মার্ক ও ফাইজারের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। কারণ, তারা অনেক ওষুধ বিদেশে উৎপাদন করে। এতে দেশটির সাধারণ ভোক্তাদের ওষুধের দাম বাড়তে পারে। একইভাবে সেমিকন্ডাক্টরের ওপর শুল্কের প্রভাব পড়বে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের ওপরও।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="1ec8532b-b881-43b9-bb65-2eba272c6fac">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>ট্রাম্প সম্প্রতি বেশ কিছু দেশকে চিঠি পাঠিয়ে একতরফাভাবে শুল্কের হার জানিয়ে দিয়েছেন। যদিও তিনি বলেছেন, দর-কষাকষি চলবে। মঙ্গলবার তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। চুক্তিতে প্রস্তাবিত ৩২ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। এর বিনিময়ে দেশটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের জ্বালানি ও ৪৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য ও ৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে।</p>
<p>ট্রাম্প আশা করছেন, ১ আগস্টের আগেই তিনি আরও ‘দুটি বা তিনটি’ বাণিজ্য চুক্তি করতে পারবেন। এসব চুক্তির মধ্যে ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ভারত ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশ আছে। তবে বলব, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব চিঠি দিয়ে আমি খুশি।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="caa78c13-2308-424d-b689-deba3fc09cfb">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ছোট দেশগুলোর জন্য ‘সাধারণ শুল্ক’ আরোপের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যেসব দেশ নিজস্ব হারে ছাড় পায়নি, সম্ভবত তাদের পণ্যে ১০ শতাংশের কিছু বেশি হারে শুল্ক আরোপিত হবে।</p>
<p>এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহেই মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসবেন। ইইউর জন্য ৩০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারিত রয়েছে। ট্রাম্প জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো কিছু দেশ ইতিমধ্যে বাণিজ্যের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে, যদিও জাপান এখনো সাড়া দেয়নি।</p>
<p>রাশিয়ার বিরুদ্ধে হুমকি দিয়ে দেওয়া ‘দ্বিতীয় স্তরের শুল্ক’ নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে না পারলে রাশিয়ার বাণিজ্যিক অংশীদারদেরও শুল্কের আওতায় আনা হবে। যদিও এতে আমেরিকানদের জ্বালানির খরচ বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="a1236b40-1218-4545-be28-14c60480bc93">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি না যে এর প্রভাব পড়বে।’</p>
<p>বিশ্লেষকেরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের ওষুধে শুল্ক আরোপের নীতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উন্নয়নশীল দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর উৎপাদন, রপ্তানি, প্রযুক্তি গ্রহণ ও কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলবে। শুধু জনস্বাস্থ্য নয়, অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করে। তবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে ভারত। ভারতের ওষুধের বৃহত্তম বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৩–২৪ অর্থ বছরে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২ হাজার ৭৯০ কোটি ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরল খনিজ চৌম্বক আমদানি বেড়েছে</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 01:45:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বের বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=2801</guid>

					<description><![CDATA[চীনের বিরল খনিজ চৌম্বক কেনা বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত জুন মাসে আগের মাসের তুলনায় সাত গুণের বেশি বেড়েছে এই রপ্তানি। যুক্তরাষ্ট্র&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চীনের বিরল খনিজ চৌম্বক কেনা বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত জুন মাসে আগের মাসের তুলনায় সাত গুণের বেশি বেড়েছে এই রপ্তানি। যুক্তরাষ্ট্র যখন চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধে লিপ্ত, তখন চীন থেকে তাদের বিরল খনিজ ধাতু আমদানি বৃদ্ধি কৌতূহলের জন্ম দেয়।</p>
<p>রোববার চীনের শুল্ক প্রশাসনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের এই বিরল খনিজ রপ্তানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৩ মেট্রিক টনে, যা মে মাসের তুলনায় ৬৬০ শতাংশ বেশি। জুন মাসে উভয় দেশের মধ্যে বিরল খনিজ ও চৌম্বক পদার্থ জটিলতা নিরসনের চুক্তি হওয়ার পরপরই এই রপ্তানি বৃদ্ধি হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় চিপ কোম্পানি এনভিডিয়া ঘোষণা দিয়েছে, তারা আবারও চীনের কাছে এইচ২০ এআই চিপের বিক্রি শুরু করবে।</p>
<div id="5b1fa487-a455-46d8-923a-59854b7441a2">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সংবাদে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক যানবাহন ও বায়ুচালিত টারবাইনের মতো খাতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহ বৃদ্ধি চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সমঝোতার ইঙ্গিতবহ ঘটনা। অর্থাৎ তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার ইঙ্গিত।</p>
<p>এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাপ্রযুক্তির মূল বিষয় হচ্ছে শক্তিশালী চিপ। এ চিপের মেমোরি বা প্রসেসরের প্রত্যক্ষ অংশ না হলেও পার্শ্ববর্তী যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তিতে এসব বিরল মৌল খনিজ ধাতুর ব্যবহার আছে। আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিরল মৌল খনিজ ধাতু অপরিহার্য। সে কারণে এই মহার্ঘ বস্তুটির ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নজর বারবরই। চীনের কাছে আধুনিক চিপ বিক্রির শর্ত হিসেবে তারা এই বিরল খনিজের বিষয়টি যুক্ত করেছে। এ ছাড়া ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির সঙ্গে যে চুক্তি করেছে, সেখানেও বিরল খনিজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অর্থাৎ এই খনিজের গুরুত্ব আছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div class="dfp-ad-unit print-none " data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="mcanvas1x1-b7d298e9-d423-457d-9b51-53af3b5d97ab-0-0" class=" adBox" data-google-query-id="CP_B3abt0Y4DFSiHZgIddncX5A">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_2__container__">এ ছাড়া স্মার্টফোন, বৈদ্যুতিক গাড়ি, বায়ু টারবাইনের মতো আধুনিক যন্ত্রেও এসব উপাদান ব্যবহৃত হয়। এই বিরল খনিজ চৌম্বক পদার্থ দিয়ে আজকের ব্যবহৃত প্রযুক্তির অনেকখানি অচল হয়ে পড়ত। নিওডিমিয়াম ও স্যামারিয়ামের মতো উপাদান দিয়ে তৈরি এই চুম্বক এতটাই শক্তিশালী যে এগুলো ছাড়া ইলেকট্রিক মোটর, ড্রোন, স্মার্টফোন, এমনকি এমআরআই যন্ত্র চালানো কঠিন হয়ে পড়ত।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="6cec4700-e19b-4a41-a39d-c7cb52ea39f8">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>বিশ্বে বিরল খনিজ চৌম্বক পদার্থের ৯০ শতাংশের বেশি সরবরাহ করে চীন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এসব বিরল খনিজ ধাতু রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চীন। ফলে এপ্রিল ও মে মাসে চীনের এসব পণ্যের রপ্তানি নাটকীয়ভাবে কমে যায়। ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হয় এবং কিছু গাড়ি কোম্পানি উৎপাদন আংশিক বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়।</p>
<p>মোট হিসেবে জুন মাসে চীন বিশ্ববাজারে ৩ হাজার ১৮৮ টন বিরল ধাতু ও চৌম্বক পদার্থ রপ্তানি করেছে। মে মাসে যার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৩৮ টন। অর্থাৎ মে মাসের তুলনায় জুন মাসে ১৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি পণ্য রপ্তানি করেছে। ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় এই পরিমাণ এখনো ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ কম।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="70099c74-9606-4de2-ae8c-7fa0c5e087ec">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, জুন মাসে আরও বেশি রপ্তানিকারক লাইসেন্স পাওয়ায় জুলাই মাসে রপ্তানির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে চীনের বিরল খনিজ চৌম্বক রপ্তানি গত বছরের তুলনায় ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ২২ হাজার ৩১৯ টনে নেমেছে।</p>
<p>দেখে নেওয়া যাক, গত জুন মাসে কোন দেশ চীনের কাছ থেকে কী পরিমাণ খনিজ কিনেছে। জুন মাসে সবেচেয়ে বেশি কিনেছে জার্মানি; তারা কিনেছে মোট ৭৬৪ মেট্রিক টন। যুক্তরাষ্ট্র কিনেছে ৩৫৩ মেট্রিক টন। ভিয়েতনাম কিনেছে ৩৪০ টন; দক্ষিণ কোরিয়া কিনেছে ২৮০ মেট্রিক টন; থাইল্যান্ড কিনেছে ২০৫ মেট্রিক টন; ভারত কিনেছে ১৭২ মেট্রিক টন; পোল্যান্ড কিনেছে ১৫৯ মেট্রিক টন; জাপান কিনেছে ১৩২ মেট্রিক টন; ফ্রান্স কিনেছে ১০৫ মেট্রিক টন ও হাঙ্গেরি কিনেছে ১০৩ মেট্রিক টন।</p>
<p>এই বিরল খনিজ চৌম্বক ব্যবহার শুধু প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কথা বলে না; বরং এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, ভবিষ্যতের শক্তি, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রযুক্তির ভিত্তি কার হাতে থাকবে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
