<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অর্থনীতি &#8211; Capital News</title>
	<atom:link href="https://capitalnewsbd.com/category/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://capitalnewsbd.com</link>
	<description>Business News Portal</description>
	<lastBuildDate>Fri, 08 Aug 2025 13:29:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.2</generator>

<image>
	<url>https://capitalnewsbd.com/wp-content/uploads/2025/07/cropped-cropped-cropped-cropped-unnamed-e1751986389941-32x32.png</url>
	<title>অর্থনীতি &#8211; Capital News</title>
	<link>https://capitalnewsbd.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>জাপানে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি, ভোক্তারা চাপে</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 02:39:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বের বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=4157</guid>

					<description><![CDATA[টোকিও, ৫ আগস্ট, ২০২৫ – মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের অব্যাহত দুর্বলতা দেশটিতে আমদানি করা খাদ্যদ্রব্যের দাম দ্রুত বাড়িয়ে দিচ্ছে।&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>টোকিও, ৫ আগস্ট, ২০২৫</b> – মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের অব্যাহত দুর্বলতা দেশটিতে আমদানি করা খাদ্যদ্রব্যের দাম দ্রুত বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে সাধারণ জাপানি পরিবারগুলোর ওপর জীবনযাত্রার খরচ সামলানোর চাপ তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে, তেল, মাংস এবং শস্যের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের বাজেটের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।</p>
<p>এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো জাপানের মুদ্রা ইয়েনের দুর্বল হয়ে পড়া। জাপান তার প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে। যখন ইয়েন দুর্বল হয়, তখন একই পরিমাণ আমদানি করা পণ্যের জন্য বেশি ইয়েন খরচ করতে হয়। ফলে পণ্যগুলোর খুচরা মূল্য বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা গরুর মাংস বা অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা গমের দাম এখন অনেক বেশি। একজন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক বলেছেন, &#8220;ইয়েনের এই দুর্বলতা জাপানের আমদানিভিত্তিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় আঘাত।&#8221;</p>
<p>দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অফ জাপান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে একটি শিথিল মুদ্রানীতি অনুসরণ করে আসছে। এই নীতির কারণে ইয়েন দুর্বল হয়েছে, যা জাপানের রপ্তানিমুখী কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক। কারণ, দুর্বল ইয়েনের কারণে বিদেশে জাপানি পণ্য বিক্রি করা সহজ হয়। কিন্তু এর নেতিবাচক দিক হলো, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়া। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি একটি জরুরি বৈঠক করেছে। তবে ব্যাংকটি এখনো সুদের হার বাড়ানোর মতো কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, কারণ এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জাপানের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। অনেক পরিবার এখন তাদের কেনাকাটার অভ্যাস পরিবর্তন করছে। তারা কম দামের বিকল্প পণ্য খুঁজছে, কম পরিমাণে কিনছে এবং বাইরে খাওয়া কমিয়ে দিচ্ছে। টোকিওর এক গৃহিণী বলেন, &#8220;সবকিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে। আগে যেখানে সপ্তাহের বাজার এক হাজার ইয়েনে হয়ে যেত, এখন সেখানে এক হাজার তিনশ ইয়েনের বেশি লাগছে। আমাদের এখন খুব হিসাব করে চলতে হচ্ছে।&#8221;</p>
<p>খাদ্যদ্রব্যের এই মূল্যবৃদ্ধি শুধু ভোক্তাদেরই নয়, রেস্তোরাঁ এবং সুপারমার্কেটগুলোর জন্যও সমস্যা সৃষ্টি করছে। তাদের হয় বর্ধিত খরচ নিজেরা বহন করতে হচ্ছে (যার ফলে লাভ কমে যাচ্ছে) অথবা ভোক্তাদের ওপর সেই বোঝা চাপিয়ে দিতে হচ্ছে (যার কারণে ক্রেতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে)। এমন পরিস্থিতিতে জাপান সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ভর্তুকি বা করছাড়ের মতো কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, যাতে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপানের অর্থনীতি এখন একটি উভয়সংকটের মধ্যে রয়েছে। একদিকে, রপ্তানিমুখী কোম্পানিগুলোকে চাঙ্গা রাখতে ইয়েনকে দুর্বল রাখতে হচ্ছে। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক নীতির প্রয়োজন, যা জাপানের নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ, দিল্লির ওপর চাপ বাড়ছে</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 01:47:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব বাণিজ্য ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=4114</guid>

					<description><![CDATA[ওয়াশিংটন, ৫ আগস্ট, ২০২৫ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের তীব্র সমালোচনা করেছে এবং&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>ওয়াশিংটন, ৫ আগস্ট, ২০২৫</b> – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের তীব্র সমালোচনা করেছে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বেশ কিছু পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে দুই দেশের মধ্যেকার বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে, ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত, যেমন ওষুধ এবং গাড়ির যন্ত্রাংশকে এই শুল্কের আওতার বাইরে রেখেছে।</p>
<p>ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ব্যাপারে সতর্ক করে আসছিল। তাদের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে মস্কোর ওপর যে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়েছে, ভারত তা দুর্বল করছে। ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, &#8220;আমরা আমাদের মিত্রদের কাছে আশা করি যে তারা আমাদের মতোই মূল্যবোধ পোষণ করবে এবং এমন কিছু করবে না যা আমাদের যৌথ নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর।&#8221; তিনি আরও বলেন, &#8220;ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার, কিন্তু তাদের এই পদক্ষেপ আমাদের হতাশ করেছে।&#8221;</p>
<p>অন্যদিকে, ভারত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, তারা তাদের জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করবে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর একাধিকবার বলেছেন যে, ভারত তার জনগণের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যেকোনো উৎস থেকে তেল কিনবে। তিনি বলেন, &#8220;আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। আমরা কোনো দেশের চাপের কাছে নতি স্বীকার করব না।&#8221; শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা এই পদক্ষেপের পর্যালোচনা করছে এবং এর পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, এই শুল্ক আরোপের ফলে ভারতের রপ্তানি খাতে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষত, যেসব পণ্য ২৫ শতাংশ শুল্কের আওতায় এসেছে, সেগুলোর দাম যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে যাবে, যা ভারতীয় রপ্তানিকারকদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে, ওষুধ এবং গাড়ির যন্ত্রাংশকে শুল্কের বাইরে রাখার সিদ্ধান্তকে কিছু পর্যবেক্ষক একটি &#8216;সদিচ্ছার&#8217; ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন পুরোপুরি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায় না, বরং আলোচনার জন্য চাপ তৈরি করতে চাইছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/05/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মার্কিন ব্যবসায়িক কার্যকলাপে উল্লম্ফন, শুল্ক বাড়াচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 25 Jul 2025 05:49:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাণিজ্য ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3336</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক কার্যকলাপ গত ডিসেম্বর মাসের পর থেকে দ্রুততম গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, আমদানি শুল্কের কারণে উৎপাদন&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>জুলাই মাসে মার্কিন</strong> যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক কার্যকলাপ গত ডিসেম্বর মাসের পর থেকে দ্রুততম গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, আমদানি শুল্কের কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ায় অর্থনীতিবিদদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।</p>
<p>এসএন্ডপি গ্লোবাল কম্পোজিট পিএমআই (S&amp;P Global Composite PMI) জুন মাসের ৫২.৯ থেকে বেড়ে জুলাই মাসে ৫৪.৬ এ দাঁড়িয়েছে, যা বেসরকারি খাতের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এই প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি ছিল <b>পরিষেবা খাত</b>, যার পিএমআই ৫৫.২-এ পৌঁছেছে, যা প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে এবং গত সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p>
<p>তবে, এই প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির সব ক্ষেত্রে সমানভাবে ঘটেনি। যেখানে পরিষেবা খাত শক্তিশালী হয়েছে, সেখানে <b>উৎপাদন খাত</b> কিছুটা সংকুচিত হয়েছে, যা কয়েক মাসের মধ্যে প্রথমবার। এসএন্ডপি গ্লোবাল উল্লেখ করেছে যে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক থেকে সুরক্ষামূলক সুবিধা পাওয়া গেছে, তবে উচ্চ মূল্য এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের উদ্বেগের কারণে এই সুবিধাগুলো প্রায়শই ছাপিয়ে গেছে।</p>
<p>বিভিন্ন কোম্পানি জানিয়েছে যে, শুল্ক বা ট্যারিফের কারণে তাদের উৎপাদন ব্যয় এবং চূড়ান্ত বিক্রয় মূল্য উভয়ই বেড়েছে। উৎপাদনকারীরা তাদের উচ্চ ব্যয়ের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের জন্য শুল্ককে দায়ী করেছেন। অন্যদিকে, পরিষেবা প্রদানকারীদের প্রায় ৪০% তাদের উচ্চ বিক্রয় মূল্যের জন্য শুল্ককে দায়ী করেছেন। ইনপুট মূল্য পরিমাপক সূচক জুনে ৬১.২ থেকে বেড়ে ৬১.৯ হয়েছে, এবং পরিষেবা ইনপুট মূল্য পরিমাপক সূচক ৫৯.৭ থেকে বেড়ে ৬১.৪ হয়েছে, যা ব্যয় বৃদ্ধির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত।</p>
<p>এসএন্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের প্রধান ব্যবসায়িক অর্থনীতিবিদ ক্রিস উইলিয়ামসন এই পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে বলেছেন, &#8220;জুলাই মাসে পণ্য ও পরিষেবার বিক্রয় মূল্যের এই বৃদ্ধি, যা গত তিন বছরের মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম, তা ইঙ্গিত দেয় যে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি ফেডারেল রিজার্ভের ২% লক্ষ্যমাত্রার আরও উপরে উঠবে আগামী মাসগুলোতে, কারণ এই মূল্যবৃদ্ধি শেষ পর্যন্ত পরিবারগুলোর ওপর প্রভাব ফেলবে।&#8221;</p>
<p>এই চিত্রটি দেখাচ্ছে যে, মার্কিন অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির পথে থাকলেও, নতুন করে আরোপিত শুল্কগুলো ব্যবসার খরচ বাড়াচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর উচ্চ মূল্যের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে এবং মূল্যস্ফীতির উদ্বেগকে আরও ঘনীভূত করছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দ্বিতীয় দিনেও নিম্নমুখী যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের বাজার</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 25 Jul 2025 05:44:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বের বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3333</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের বাজার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো নিম্নমুখী হয়েছে, কারণ নতুন বেকার ভাতার আবেদনের সংখ্যা (jobless claims) কমেছে, যা&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><span class="citation-83 citation-end-83"><strong>যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি</strong> বন্ডের বাজার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো নিম্নমুখী হয়েছে, কারণ নতুন বেকার ভাতার আবেদনের সংখ্যা (jobless claims) কমেছে, যা শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</span> এই পরিস্থিতি ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার কমানোর পথে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।</p>
<p>২৪শে জুলাই, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯শে জুলাইয়ে শেষ হওয়া সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেকার ভাতার জন্য প্রাথমিক আবেদনকারী সংখ্যা ৪,০০০ কমে ২,১৭,০০০-এ দাঁড়িয়েছে। এটি এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে সর্বনিম্ন সংখ্যা। অর্থনীতিবিদরা যেখানে এই সংখ্যা ২,২৭,০০০-এ পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, সেখানে এই অপ্রত্যাশিত পতন শ্রমবাজারের শক্তিশালী অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
<p>শ্রমবাজার শক্তিশালী থাকা মানে হল অর্থনীতিতে এখনও চাপ কম। যখন বেকারত্বের হার কম থাকে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়, তখন ফেড সাধারণত উচ্চ মূল্যস্ফীতি রোধ করার জন্য সুদের হার দীর্ঘ সময়ের জন্য উচ্চ রাখে বা কমানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকে।</p>
<p>বেকার ভাতার দাবি কমে যাওয়ায় ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড (yield) বেড়েছে। ইল্ড এবং বন্ডের দামের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে, অর্থাৎ ইল্ড বাড়লে বন্ডের দাম কমে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, শ্রমবাজারের এই স্থিতিশীলতা ফেডকে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ সুদের হার কমানোর বিষয়ে আরও বেশি সতর্ক করে তুলবে।</p>
<p>বিশেষ করে স্বল্প-মেয়াদী ট্রেজারি বন্ডগুলো মুদ্রানীতির পরিবর্তনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। গতকাল, বেশিরভাগ ট্রেজারি ইল্ড প্রায় তিন বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্বল্প-মেয়াদী ঋণ দ্বারা চালিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, ৪.১% বেকারত্বের হারে ফেডের পক্ষে বিশ্বাসযোগ্যভাবে হার কমানো কঠিন হতে পারে।</p>
<p>বর্তমানে, ট্রেজারি বিনিয়োগকারীরা মূলত সাপ্তাহিক বেকার ভাতার প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন। লাগাতার ছয় সপ্তাহ ধরে বেকার ভাতার দাবিতে পতন শ্রমবাজারে চাপ না থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে, কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন যে, শ্রম সরবরাহ এবং অভিবাসনের মতো বিষয়গুলো শ্রমবাজারের ডেটা বিশ্লেষণকে জটিল করে তুলছে।</p>
<p>বাজারের প্রত্যাশা ছিল যে সুদের হার কমানো সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে শুরু হবে, কিন্তু যদি বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত থাকে, তবে এই প্রত্যাশা পূরণ নাও হতে পারে। আগামী সপ্তাহে ফেডের বৈঠক, জিডিপি (GDP) এবং বেতন-ভাতার ডেটা প্রকাশের পর বাজারের একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/25/%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঋণ পুনর্গঠনের বিশেষ সুযোগ পাচ্ছে ব্যাংক</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%a0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a7%8b/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%a0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a7%8b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Jul 2025 15:45:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্যাংক-বিমা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3281</guid>

					<description><![CDATA[রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তার সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো এখন নিজ নিজ&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তার সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো এখন নিজ নিজ বিবেচনায় ৫০ কোটি টাকার নিচের ঋণ পুনঃতপশিল বা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ডাউনপেমেন্ট, মেয়াদসহ বিভিন্ন শর্তশিথিল করতে পারবে। শিগগির এ বিষয়ে একটি সমন্বিত সার্কুলার জারি করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।</p>
<p>২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পুনর্গঠনের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। তবে সে সময় কোনো নির্দিষ্ট নীতিগত কাঠামো নির্ধারণ করা হয়নি। পরবর্তীতে কমিটি পুনর্গঠিত হয় এবং এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা পড়েছে ১,২০০-রও বেশি আবেদন। কোনো কোনো কেসে ২৮টি পর্যন্ত ব্যাংক জড়িত রয়েছে। এত সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তি সময়সাপেক্ষ হওয়ায়, নতুন কমিটি ব্যাংকগুলোকেই পুনর্গঠন সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়ার সুপারিশ করেছে। কেবল জটিল কেসগুলোই বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো যাবে।</p>
<div class="code-block-center"><center></p>
<div class="custom-ad-container" style="text-align: left;">বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে খেলাপি ঋণ মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে ব্যাংকগুলো নানা পদ্ধতিতে খেলাপি ঋণ আড়াল করলেও এখন তা সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে গত এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকায়—মোট ঋণের ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ হঠাৎ ব্যাংকগুলোর প্রভিশন ঘাটতির পাশাপাশি লভ্যাংশ দিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন থেকে কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণ যদি ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়, সে ব্যাংক মুনাফা করলেও লভ্যাংশ দিতে পারবে না।</div>
<div></div>
<p></center></div>
<div class="code-block-center"><center></p>
<div class="custom-ad-container" style="text-align: left;">কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শর্ত কঠোর হলেও, ব্যবসা খাত যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় ঋণ পুনর্গঠনের ছাড় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো। এর ফলে ব্যাংকগুলো এখন খেলাপি ঋণ কমাতে আরও সক্রিয় হচ্ছে।</div>
<p></center></div>
<p>বিগত সরকার আমলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা ছাড় দিয়ে খেলাপি ঋণ কম দেখানোর সুযোগ দিয়েছিল। কখনও মাত্র দুই শতাংশ ডাউনপেমেন্টে ১২ বছরের জন্য পুনঃতফসিল সুবিধা, আবার কখনও করোনাকে অজুহাত দেখিয়ে ঋণ খেলাপির তালিকায় না দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এতে একটি গোষ্ঠী নিয়মিত ঋণ পরিশোধ না করেও পুনঃতফসিল সুবিধা নিয়ে গেছে। গত পাঁচ বছরে প্রায় ২ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ২০২৪ সালেই হয়েছে ৫৬ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা এবং ২০২৩ সালে রেকর্ড ৯১ হাজার ২২১ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল হয়।</p>
<p>এবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইছে, একটি সুস্পষ্ট কাঠামোর অধীনে নীতি-সহায়তা কার্যকর করতে। এর অংশ হিসেবেই আসছে সার্বিক নির্দেশনা সংবলিত সার্কুলার।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%8b%e0%a6%a3-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%a0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভারত-যুক্তরাজ্য ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Jul 2025 15:28:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3277</guid>

					<description><![CDATA[তিন বছর ধরে চলা আলোচনার পর অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে ভারত ও যুক্তরাজ্য। এই উপলক্ষে লন্ডনে ভারতের&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>তিন বছর ধরে চলা আলোচনার পর অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে ভারত ও যুক্তরাজ্য। এই উপলক্ষে লন্ডনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।</p>
<p>চুক্তিতে সই করেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যমন্ত্রী জোনাথন রেনল্ডস। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক বাণিজ্য ৩৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতের জন্য এটি নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেবে।</p>
<p>বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, আর্থিক সেবা, পেশাদার পরিষেবা, ব্যবস্থাপনা পরামর্শ, স্থাপত্য এবং প্রকৌশল খাতে চাকরির সুযোগ বাড়বে। একইসঙ্গে ভারতীয় উদ্যোক্তা ও গ্র্যাজুয়েটদের জন্য যুক্তরাজ্যে উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p>
<p>ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, “ভারতের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি যুক্তরাজ্যের জন্য একটি বড় বিজয়। এটি হাজার হাজার চাকরি তৈরি করবে, নতুন ব্যবসার সুযোগ এনে দেবে এবং আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। এটা আমাদের ‘প্ল্যান ফর চেঞ্জ’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”</p>
<p>চুক্তির অংশ হিসেবে ২৬টি ব্রিটিশ কোম্পানি ভারতে নতুন বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আর্থিক খাত কোনোদিন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Jul 2025 15:25:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3274</guid>

					<description><![CDATA[বর্তমান বিচার বিভাগ যেভাবে চলেছে, একইভাবে চললে আর্থিক খাত কোনোদিন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। তাই সরকার শিগগিরই অর্থঋণ আদালত আইন&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান বিচার বিভাগ যেভাবে চলেছে, একইভাবে চললে আর্থিক খাত কোনোদিন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। তাই সরকার শিগগিরই অর্থঋণ আদালত আইন রিভাইজ (পুনঃপর্যালোচনা) করতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।</p>
<p>সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে গভর্নর মনসুর এসব কথা বলেন।</p>
<p>গভর্নর বলেন, বর্তমান বিচার বিভাগ যেভাবে চলছে, একইভাবে চলতে থাকলে আর্থিক খাত কোনোদিন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকার এবং বিচার বিভাগকে একযোগে কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাতে হলে আমাদেরও সেই রকম সক্ষমতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।”</p>
<p>খেলাপি ঋণ ইস্যুতে গভর্নর মনসুর বলেন, খেলাপিকে খেলাপিই বলা উচিৎ। হাইকোর্ট থেকে কেউ স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) আনলেও আমরা তাকে শ্রেণিকরণ করব। কারণ একজন গ্রাহককে ব্যাংক যেভাবে চেনে, আদালতের পক্ষে সেটি সেই গভীরতায় বোঝা সম্ভব নয়।</p>
<p>তিনি বলেন, সম্প্রতি অগ্রণী ব্যাংকের এক ঘটনায় দেখা গেছে, স্টে অর্ডার থাকা সত্ত্বেও এক ঋণগ্রহীতাকে খেলাপি ঘোষণা করা হয়েছিল, যার ফলে তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়। গভর্নরের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্তই নীতিগতভাবে সঠিক।</p>
<p>ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠনে এক বছরের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, আমরা দেখেছি এটা একদিনের ঘটনা নয়। প্রায় আট-নয় বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা হয়েছে। এরপর সেগুলো থেকে পরিকল্পিতভাবে অর্থ পাচার করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, এটা এক ধরনের ‘হানিপট’ ছিল—একটি মধুর ভাণ্ডার, যেখান থেকে মধু লুট করা হয়েছে। জনগণের আমানতের নিরাপত্তা রক্ষার কথা কেউ ভাবেনি। বরং এটি লুটপাটের একটি খাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>গভর্নর আরও বলেন, এই অর্থ লুটের প্রক্রিয়া সরকারের চোখের সামনেই ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকেরও নজরের সামনেই হয়েছে। অথচ কেউ কোনো কথা বলেনি। বরং অনেক ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করেছে।</p>
<p>তিনি বলেন, সিভিল সোসাইটি তখনও কিছু বলেছিল, আমরাও বাইরে থেকে বহুবার সতর্ক করেছিলাম। আমি নিজে এক প্রাক্তন গভর্নরকে সরাসরি বলেছিলাম, ‘মিস্টার এক্স’-এর বিষয়ে সাবধান থাকুন। কারণ তিনি যদি ব্যাংকগুলো হাইজ্যাক করেন, তাহলে পুরো খাত ধসে পড়বে।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, আমি তখন বলেছিলাম, একসাথে কয়েকটি ব্যাংক পড়লে আমাদের অ্যাম্বুলেন্সও দরকার হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাই-ই হয়েছে—পুরো ব্যাংক খাতকে এক পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে লুটপাটের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/24/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুই লাখ ২০ হাজার টন গম কিনবে সরকার</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 21:55:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3063</guid>

					<description><![CDATA[সরকার জি-টু-জি ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সরকার জি-টু-জি ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২২তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০০৬ সালের সরকারি ক্রয় আইন অনুসারে এ গম সংগ্রহ করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাত হাজার টন মসুর ডাল কিনছে সরকার</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%9b/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%9b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 21:52:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নিত্যপণ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=3060</guid>

					<description><![CDATA[সরকারি বিক্রয়কারী সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য সাত হাজার টন মসুর ডাল কেনা হচ্ছে ৯১ টাকা ৮৮ পয়সা&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="ae8795ce-6e8f-4d3f-afbf-61a618aaeacf">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p><strong>সরকারি বিক্রয়কারী</strong> সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য সাত হাজার টন মসুর ডাল কেনা হচ্ছে ৯১ টাকা ৮৮ পয়সা কেজি দরে। এতে মোট ব্যয় হবে ৬৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা। স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে কেবিসি অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস প্রাইভেট লিমিটেড মসুর ডাল সরবরাহের কাজ পেয়েছে।  বুধবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ মসুর ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="web-interstitial-ad">এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক দরপ্রস্তাবের মাধ্যমে এ কাজ পেয়েছে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এক কার্গো সমান ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মিলিয়ন মেট্রিক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি।</div>
<div></div>
<div class="web-interstitial-ad">এ এলএনজি আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৫২২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউর দাম ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ৪৩ মার্কিন ডলার। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া, কানাডা ও মরক্কো থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টন সার আমদানির ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৯২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%9b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আবার ওষুধে শুল্ক আরোপের কথা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 02:06:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বের বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=2817</guid>

					<description><![CDATA[আবারও ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপের কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প। চলতি মাসের শেষ দিকে ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করা&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আবারও ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপের কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প। চলতি মাসের শেষ দিকে ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। পাশাপাশি শিগগিরই সেমিকন্ডাক্টরের (চিপস) ওপরও শুল্ক বসানো হতে পারে।</p>
<p>আগামী ১ আগস্ট থেকে যে পাল্টা শুল্ক কার্যকর হতে যাচ্ছে, এসব নতুন শুল্ক তার সঙ্গেই কার্যকর হতে পারে। মঙ্গলবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক সম্মেলনে অংশ নিয়ে ফেরার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।</p>
<p>ট্রাম্প আরও বলেন, শুরুতে ওষুধে স্বল্প হারে শুল্ক আরোপ করা হবে। এক বছর পর শুল্কহার অনেক বেড়ে যাবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে নিজস্ব উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য কোম্পানিগুলোকে সময় দেওয়া হবে। ব্লুমবার্গের সূত্রে ইকোনমিক টাইমস এ খবর দিয়েছে।</p>
<div id="90b4ae36-517c-465c-a8b3-c33127d23387">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ট্রাম্প আরও জানান, সেমিকন্ডাক্টরের ক্ষেত্রে সময়সূচি প্রায় একই রকম, তবে এসব পণ্যের ওপর শুল্ক বসানো অপেক্ষাকৃত সহজ হবে। এর আগে এপ্রিল মাসে দেশটির ফেডারেল রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক নোটিশে এই তথ্য জানিয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার ট্রাম্প সে কথার পুনরাবৃত্তি করলেন।</p>
<p>এপ্রিলে ফেডারেল রেজিস্ট্রার দপ্তরের ঘোষণায় বলা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তার কারণে ওষুধ ও চিপে শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন ট্রাম্প। কিন্তু বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ওষুধ কোম্পানিগুলো যাতে যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা চালু করে, সেই চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। এ জন্য শুল্কের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার পথে হাঁটছেন। তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, আমাদের বাজার বড়। তাই শিগগির আমরা ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর বড় ধরনের শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেব। ’ মূলত ওষুধের ক্ষেত্রে বিদেশি নির্ভরতা কমাতে চান তিনি।</p>
<p>এ ছাড়া ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, তামার ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ওষুধ আমদানির ওপর শুল্ক এক বছরের মধ্যে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, বিদেশি ওষুধের দাপটে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। এ নিয়ে তিনি ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ধারা ২৩২ অনুযায়ী তদন্তও শুরু করেছেন।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div class="dfp-ad-unit print-none " data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="mcanvas1x1-99a5aa61-5570-40dc-a4a8-3c20c07db2d1-0-0" class=" adBox" data-google-query-id="CJWQyvLx0Y4DFYmGZgId5zQP7g">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_4__container__">এ ধরনের শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক, যেমন এলি লিলি, মার্ক ও ফাইজারের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। কারণ, তারা অনেক ওষুধ বিদেশে উৎপাদন করে। এতে দেশটির সাধারণ ভোক্তাদের ওষুধের দাম বাড়তে পারে। একইভাবে সেমিকন্ডাক্টরের ওপর শুল্কের প্রভাব পড়বে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের ওপরও।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="1ec8532b-b881-43b9-bb65-2eba272c6fac">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>ট্রাম্প সম্প্রতি বেশ কিছু দেশকে চিঠি পাঠিয়ে একতরফাভাবে শুল্কের হার জানিয়ে দিয়েছেন। যদিও তিনি বলেছেন, দর-কষাকষি চলবে। মঙ্গলবার তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। চুক্তিতে প্রস্তাবিত ৩২ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। এর বিনিময়ে দেশটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের জ্বালানি ও ৪৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য ও ৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে।</p>
<p>ট্রাম্প আশা করছেন, ১ আগস্টের আগেই তিনি আরও ‘দুটি বা তিনটি’ বাণিজ্য চুক্তি করতে পারবেন। এসব চুক্তির মধ্যে ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ভারত ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশ আছে। তবে বলব, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব চিঠি দিয়ে আমি খুশি।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="caa78c13-2308-424d-b689-deba3fc09cfb">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>ছোট দেশগুলোর জন্য ‘সাধারণ শুল্ক’ আরোপের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যেসব দেশ নিজস্ব হারে ছাড় পায়নি, সম্ভবত তাদের পণ্যে ১০ শতাংশের কিছু বেশি হারে শুল্ক আরোপিত হবে।</p>
<p>এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহেই মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসবেন। ইইউর জন্য ৩০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারিত রয়েছে। ট্রাম্প জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো কিছু দেশ ইতিমধ্যে বাণিজ্যের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে, যদিও জাপান এখনো সাড়া দেয়নি।</p>
<p>রাশিয়ার বিরুদ্ধে হুমকি দিয়ে দেওয়া ‘দ্বিতীয় স্তরের শুল্ক’ নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে না পারলে রাশিয়ার বাণিজ্যিক অংশীদারদেরও শুল্কের আওতায় আনা হবে। যদিও এতে আমেরিকানদের জ্বালানির খরচ বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="a1236b40-1218-4545-be28-14c60480bc93">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class=" story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি না যে এর প্রভাব পড়বে।’</p>
<p>বিশ্লেষকেরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের ওষুধে শুল্ক আরোপের নীতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উন্নয়নশীল দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর উৎপাদন, রপ্তানি, প্রযুক্তি গ্রহণ ও কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলবে। শুধু জনস্বাস্থ্য নয়, অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করে। তবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে ভারত। ভারতের ওষুধের বৃহত্তম বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৩–২৪ অর্থ বছরে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২ হাজার ৭৯০ কোটি ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/07/23/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
