<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Capital News</title>
	<atom:link href="https://capitalnewsbd.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://capitalnewsbd.com</link>
	<description>Business News Portal</description>
	<lastBuildDate>Sun, 17 Aug 2025 22:42:52 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.2</generator>

<image>
	<url>https://capitalnewsbd.com/wp-content/uploads/2025/07/cropped-cropped-cropped-cropped-unnamed-e1751986389941-32x32.png</url>
	<title>Capital News</title>
	<link>https://capitalnewsbd.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>‘তারক’ থেকেই আজকের ‘খাগড়াছড়ি’</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 21:08:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5081</guid>

					<description><![CDATA[প্রকৃতি নিপুণ হাতে অকৃপণভাবে সাজিয়েছে খাগড়াছড়িকে, ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যে স্বতন্ত্র করে তুলছে। আকাশ-পাহাড়ের মিতালি, চেঙ্গি ও মাইনি উপত্যকার বিস্তীর্ণ সমতল&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>প্রকৃতি নিপুণ হাতে অকৃপণভাবে সাজিয়েছে খাগড়াছড়িকে, ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যে স্বতন্ত্র করে তুলছে। আকাশ-পাহাড়ের মিতালি, চেঙ্গি ও মাইনি উপত্যকার বিস্তীর্ণ সমতল ও উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্য কী নেই এখানে? পানছড়ি, রামগড়, মহালছড়ি, দীঘিনালা, লক্ষ্মীছড়ি, মানিকছড়ি, মাটিরাঙা যে দিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ।</p>
<p>খাগড়াছড়ির উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, দক্ষিণ-পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা, পশ্চিমে ফেনী নদী ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য।</p>
<p>এ জেলা শহরের খুব কাছেই আলুটিলা পাহাড়। যার গা বেয়ে চেঙ্গি নদীর এঁকেবেঁকে চলা  বিমোহিত করে প্রকৃৃতিপ্রেমী দর্শনার্থীদের। উঁচু-নিচু পাহাড়, পাহাড়ি মেঠোপথ, ছোট ছোট ছড়া-নদী, পাহাড়ের বুক চিরে চিরায়ত পাহাড়ি ঝর্ণার সঙ্গে পাহাড়ি জনতার নির্মোহ চলন খাগড়াছড়িকে করে তুলেছে অনন্য। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও রহস্য ঘেরা পার্বত্য জেলাটি প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণবিলাসীর কাছে ঘুরে বেড়ানোর আদর্শ একটি স্থান।</p>
<p>নলখাগড়ার বন থেকে ‘খাগড়াছড়ি’ নামের উৎপত্তি। খাগড়াছড়ি শহরের বুক চিরে এখনও একটি স্বচ্ছ জলধারার ছড়া-নদী বয়ে চলেছে। অতীতে ওই ছড়া-নদীর দুই পাড়ে ছিল গভীর নলখাগড়ার বন। নলখাগড়ার বনের ভেতর দিয়ে ছড়া-নদী বয়ে চলার কারণেই খাগড়াছড়ি নামের উৎপত্তি। বহু বছর আগে খাগড়াছড়ির নাম ছিল ‘তারক’। খাগড়াছড়ি কালের আবর্তে স্বীয় নাম ‘তারক’ ও মহকুমা ‘রামগড়’কে পেছনে ফেলতে পেরেছে শুধু প্রকৃতির অনন্য রূপ সৌন্দর্যের কারণে।</p>
<p>১৮৬০ সালে ব্রিটিশ সরকার পার্বত্য অঞ্চলকে চট্টগ্রামের অধীনে নিয়ে আসে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা গঠন হয় রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এ তিন মহকুমা নিয়ে। অন্যদিকে রামগড় সদর, মহালছড়ি ও দীঘিনালা থানা নিয়ে গঠন হয় রামগড় মহকুমা। আজকের খাগড়াছড়ি ছিল তৎকালীন মহালছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন।</p>
<p>খাগড়াছড়িকে উপজেলায় উন্নীত করা হয় ১৯৬৮ সালে। এর ১৫ বছর পর ১৯৮৩ সালের ১ নভেম্বর খাগড়াছড়ি পূর্ণাঙ্গ জেলায় রূপান্তরিত হয়। প্রাচীন জনপদ ও নগরী হিসেবে রামগড় জেলা হওয়ার দাবি রাখে। তবে ভৌগোলিক অবস্থান, পারিপার্শ্বিকতা ও যোগাযোগ সুবিধার কারণে সরকার খাগড়াছড়িকেই জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তাজহাট জমিদারবাড়িতে একদিন</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 21:07:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দুই পা ফেলিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5077</guid>

					<description><![CDATA[সবুজে ঘেরা তাজহাট জমিদারবাড়ি রংপুরের প্রাঙ্গণ। প্রতিদিন এ জাদুঘরে ভিড় জমে কয়েকশ দর্শনার্থীর। নিদর্শন উপস্থাপনায় সীমাবদ্ধতা থাকলেও কাছাকাছি অন্য কোনো&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সবুজে ঘেরা তাজহাট জমিদারবাড়ি রংপুরের প্রাঙ্গণ। প্রতিদিন এ জাদুঘরে ভিড় জমে কয়েকশ দর্শনার্থীর। নিদর্শন উপস্থাপনায় সীমাবদ্ধতা থাকলেও কাছাকাছি অন্য কোনো হেরিটেজ সাইট না থাকায় এখানে দিন দিন বাড়ছে দর্শনার্থীর আনাগোনা।</p>
<p>রংপুর শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পূর্বে তাজহাটের ছায়াঘেরা মনোরম পরিবেশে দাঁড়িয়ে আছে এই জমিদারবাড়ি। পূর্বমুখী দোতলা বিশাল রাজপ্রাসাদটির দৈর্র্ঘ্য ৭৬ দশমিক ২০ মিটার। বিদেশ থেকে আনা সাদা মার্বেল পাথরে তৈরি ১৫ দশমিক ২৪ মিটার প্রশস্ত কেন্দ্রীয় সিঁড়িটি সরাসরি দোতলায় চলে গেছে। আট কোণাবিশিষ্ট ড্রামের ওপর স্থাপিত গম্বুজ প্রাসাদের মাঝ বরাবর ছাদের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। সিঁড়ির উভয় পাশে দোতলা পর্যন্ত ইতালীয় মার্বেলের ধ্রুপদি রোমান দেব-দেবীর মূর্তি দ্বারা সজ্জিত ছিল। সেগুলো অনেক আগেই হারিয়ে গেছে। প্রাসাদের সম্মুখভাগের দুই প্রান্ত সেমি-আটকোণা ও মধ্যভাগে একটি ৯.১৪ মিটার বারান্দা। ওই বারান্দার ছাদের উপরে চারটি সুসজ্জিত কোরিন্থীয় স্তম্ভ এবং চালবিশিষ্ট দুটি কক্ষ আছে। প্রাসাদটির ভূমি নকশা ইংরেজি ‘ইউ’ অক্ষরের মতো, যার পশ্চিম দিক উন্মক্ত। প্রাসাদের নিচতলায় প্রবেশপথের পেছনে  ১৮ দশমিক ২৯ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৩ দশমিক ৭২ মিটার প্রস্থের একটি হলঘর রয়েছে। প্রাসাদ অভ্যন্তরের পুরোভাগজুড়ে তিন মিটার প্রশস্ত বারান্দা। তাছাড়া উপরতলায় ওঠার জন্য প্রাসাদে কাঠের দুটি সিঁড়ি রয়েছে। সিঁড়ি দুটির একটি উত্তর বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে, অপরটি পূর্ব বাহুর দক্ষিণ প্রান্তে। এ প্রাসাদে সব মিলিয়ে ২২টি কক্ষ আছে। প্রাসাদের সামনে রয়েছে সবুজ গাছগাছালি আর শান বাঁধানো তিনটি পুকুর।</p>
<p>জমিদার আমলে রংপুর অঞ্চলের তাজহাট, ডিমলা, কাকিনা, মহুনা, পীরগঞ্জ ও বর্ধনকোট এলাকায় স্বনামখ্যাত জমিদার বংশ ছিল। সে সুবাদে উত্তরাঞ্চলজুড়েই রয়েছে সুরম্য জমিদারবাড়ি। অন্য সবগুলোকে ছাপিয়ে তাজহাট জমিদারবাড়ি উত্তর জনপদের অন্যতম দর্শনীয় স্থানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এই জমিদারবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা মান্নালাল রায় শিখ বংশে জন্ম ছিলেন। পরবর্তীতে ধর্মান্তরের পর রংপুরের তৎকালীন জেলা সদর মাহিগঞ্জে আসেন। সেখানে এসে স্বর্ণের ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের জেরে জীবদ্দশায় বিপুল সম্পত্তির মালিক হন তিনি। স্বর্ণকার মান্নালাল রায়ের ব্যবহৃত স্বর্ণখচিত ‘তাজ’ বা মুকুটের কারণেই ওই এলাকার নামকরণ হয় ‘তাজহাট’। তার নাতি ধনপত রায় পাঞ্জাবের আরেক সম্পদশালী রতনলাল রায়ের নাতনিকে বিয়ে করেন। এরপর রতনলাল রায়ও পাঞ্জাব ছেড়ে এদেশে চলে আসেন। ধনপত রায়ের পরবর্তী বংশধর তার নাতি উপেন্দ্রনাথ রায় অল্প বয়সে মারা যাওয়ায় ‘মুনসেফ’ হিসেবে জমিদারির দায়িত্ব নেন ধনপত রায়ের চাচা গিরিধারী লাল রায়। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি কলকাতার গোবিন্দলালকে দত্তক নেন।</p>
<p>১৮৭৯ সালে গোবিন্দলাল তাজহাট জমিদারবাড়ির উত্তরাধিকারী হন। তিনি ছিলেন স্বাধীনচেতা। তার জনপ্রিয়তাও ছিল উল্লেখ করার মতো। যে কারণে ১৮৮৫ সালে ‘রাজা’ উপাধি পান। এর সাত বছর পরই ‘রাজা বাহাদুর’ উপাধি পান। ১৮৯৬ সালে ‘মহারাজা’ উপাধি গ্রহণের এক বছর পরই ভূমিকম্পে নিজ বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। ১৯০৮ সালে গোবিন্দলালের ছেলে মহারাজা গোপাল কুমারলাল রায় জমিদারির দায়িত্ব নেন। তার হাতেই বর্তমান জমিদারির তিভ রচিত হয়েছিল।</p>
<p>১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত প্রাসাদটি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বেঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ১৯৯৫ সালে প্রত্তনত্ত্ব অধিদফতর ইমারতটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে। ওই প্রাসাদের অনন্য স্থাপত্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ২০০২ সালে শহর থেকে তাজহাটে রংপুর জাদুঘর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সে অনুযায়ী ২০০৫ সাল থেকে ওই প্রাসাদের অংশবিশেষ ‘রংপুর জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ওই জাদুঘরে শতবছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী ও মূল্যবান অনেক নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। সংরক্ষিত উল্লেখযোগ্য নিদর্শনগুলোর মধ্যে আরবি শিলালিপি, বেলেপাথর বাংলা শিলালিপি, সাঁওতালদের ব্যবহৃত তীর, বল্লম, পোড়ামাটির পাত্র, ফটক, পোড়া ময়ূর, উনবিংশ শতাব্দীতে পাওয়া পিতলের দুর্গা, শিবলিঙ্গ, পাথরের মূর্তি, উল্কাপিণ্ড, জমিদারদের পুরনো আসবাবপত্র, ঝাড়বাতি ও কালো পাথরের খোদাই করা সংস্কৃত শিলালিপি উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াতের স্বহস্তে লেখা চিঠি, তুলট কাগজ, সংস্কৃত হস্তলিপি এবং ফারসি কবিতাও সেখানে স্থান পেয়েছে। এসব কারণে পিকনিক স্পট হিসেবে দর্শনার্থীদের পছন্দের শীর্ষে এই জমিদারবাড়ি।</p>
<p>জাদুঘরের প্রবেশমুখে ডান পাশেই রয়েছে টিকিট কাউন্টার। জনপ্রতি টিকিটের দাম ২০ টাকা। তবে পাঁচ বছরের কম বয়সী ও প্রতিবন্ধী শিশুর জন্য টিকিটের দরকার হয় না। মাধ্যমিক পর্যায়ে শিশু-কিশোরের জন্য প্রবেশমূল্য পাঁচ টাকা করে। এছাড়া সার্কভুক্ত বিদেশি দর্শনার্থীদের প্রবেশমূল্য ১০০ টাকা, যা বিদেশি অন্য দর্শনার্থীদের ২০০ টাকা। গ্র্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ও শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রোববার সাধারণ ছুটি ও সোমবার দুপুর ২টা থেকে খোলা থাকে। এছাড়া সরকারি বিশেষ ছুটিতেও ওই জাদুঘর বন্ধ থাকে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নজরুল-প্রমীলার তেওতা জমিদারবাড়ি</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 21:05:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দুই পা ফেলিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5074</guid>

					<description><![CDATA[শনিবার সকাল সাতটা। আরিচা ফেরিঘাট। রাতভর মাছ ধরে ঘরে ফেরা জেলের নৌকার জন্য অপেক্ষা। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর পরিচয়ের সূত্র ধরে&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শনিবার সকাল সাতটা। আরিচা ফেরিঘাট। রাতভর মাছ ধরে ঘরে ফেরা জেলের নৌকার জন্য অপেক্ষা। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর পরিচয়ের সূত্র ধরে একজন জেলে প্রস্তাব দিলেন তার ছোট্ট নৌকায় ভ্রমণের। হেমন্তের সকালে নিঃখরচায় নৌভ্রমণের সুযোগ-হাতছাড়া করার জো নেই। মাঝির গন্তব্য অন্যতম তেওতা বাজার। যমুনার তীর ঘেঁষে প্রায় দুই কিলোমিটার পাড়ি দিলেই বাজারটি। বাজারের পাশেই নজরুল-প্রমীলার স্মৃতিবিজড়িত জমিদারবাড়ি।</p>
<p>মিনিট পনেরো হেলে-দুলে চলার পর বাজারে পৌঁছালাম। দোকানপাট তখনও খোলেনি। বাজারের এক পাশে দিঘির কোণায় টংয়ের ওপর দোকান। ভেতরে চৌদ্দ ইঞ্চি রঙিন টিভিতে হিন্দি সিনেমা চলছে। চা খেতে খেতেই দোকানদারের কাছ থেকে তেওতা জমিদারবাড়ির অ-আ-ক-খ জানতে চাইলাম। লালন সাঁইয়ের ভক্ত দোকানদার বাম পাশে দেখিয়ে বললেনÑ‘ওই তো, নজরুল-প্রমীলার স্মৃতি ধরে রাখা জমিদারবাড়ি। যদিও এখন ভাঙাচোরা দালান ছাড়া আর কিছুই নেই। তারপরও অনেক মানুষ দেখতে আসে। নাটক-সিনেমারও শুটিং হয়।’</p>
<p>জমিদারবাড়ির ওই দিঘির পাশ দিয়ে সরু রাস্তা ধরে কয়েক গজ সামনে এগুলেই পাকা তিন রাস্তার কোণায় ভঙ্গুর অবকাঠামো। সেখানে বিড়ি-খিলিপানের দোকান। রাস্তার অপর পাশে পুরনো আমলের কারুকার্যের ঢাউস আকারের টালি-টিনের চৌচালা ঘর। যা এখন ‘তেওতা প্রমীলা-নজরুল পাঠাগার’ হিসেবেই অধিক পরিচিত। মোড় থেকে দিঘির পাড় ঘেঁষে সরু পাকা রাস্তা ধরে কয়েক পা এগোলেই দুটি শান বাঁধানো ঘাট। নজরুল-প্রমীলা স্মরণে আরিচা-তেওতা-জাফরগঞ্জ সড়কটিকে ‘নজরুল-প্রমীলা সড়ক’ নামকরণ করা হয়েছে। নতুন ঘাটের পাশে মাথা উঁচু এক পায়ে দাঁড়িয়ে তালগাছ। তালগাছের ঠিক উল্টো পাশে রাস্তার সঙ্গে লাগোয়া নবরতœ মন্দির। সংস্কারের কল্যাণে কিছুদিন আগেই নতুন রূপ পেয়েছে মন্দিরটি।</p>
<p>চারপাশে সবুজ গাছপালায় ঢাকা নয়নাভিরাম দিঘি, পিচঢালা সরু রাস্তার পাশে নীল রঙের ছোট্ট সাইনবোর্ড। তাতে সাদা কালিতে লেখা ‘সংরক্ষিত পুরাকীর্তি’। তবে এই সাইনবোর্ডটি ছাড়া রাষ্ট্রের প্রতœতাত্ত্বিক ওই নিদর্শন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের নেওয়া পদক্ষেপের কোনো ছাপ নেই পুরো এলাকায়। বরং হঠাৎ কেউ দেখলে মনে করবে জমিদারবাড়িটি ধ্বংসস্তূপ।</p>
<p>ভাঙাচোরা জমিদারবাড়ির ভবনে ঘুরতে ঘুরতে স্থানীয় কয়েক তরুণের কাছে জানা গেল পুরনো এই বাড়ির লৌকিক গল্প। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেÑজমিদারবাড়ির সামনে দিয়ে জুতা পায়ে চলাফেরা করা নিষেধ ছিল। কেউ সেই আদেশ অমান্য করলে তাদের ধরে এনে গারদে বন্দি করে রাখা হতো, জমিদারের আদেশ অমান্যকারীদের শাস্তি দিতে একাধিক গারদঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। জমিদার না থাকলেও তার স্মৃতি রয়ে গেছে। একইভাবে জমিদারবাড়ির ‘অন্ধকার কূপ’ নিয়েও বহু লোককথা প্রচলিত রয়েছে।</p>
<p>মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা জমিদারবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা দেশগুপ্ত পরিবারের বংশধর পঞ্চানন চৌধুরী। ১৭৪০ সালে জš§ নেওয়া এ ব্যবসায়ী কর্মজীবন শুরু করেছিলেন দিনাজপুরে। পরবর্তীতে ব্যবসায় মুনাফার অর্থ খাটিয়ে জমি কিনতে শুরু করেন। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পর তিনি নিজ গ্রাম তেওতায় ফিরে ওই বাড়িটি তৈরি করেন। তিরানব্বই বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, ফরিদপুর, পাবনা ও বর্ধমানের কিছু অংশ তার জমিদারির আওতায় ছিল। বৈঞ্চব ধর্মাবলম্বী পঞ্চানন চৌধুরী ছিলেন সংস্কারমুক্ত, প্রগতিশীল চিন্তার মানুষ। তার উত্তরসূরিরাও সেই ধারা বয়ে নিয়েছেন।</p>
<p>প্রায় তিনশ বছর আগে সাড়ে সাত একর জমির ওপর গড়ে তোলা ওই জমিদারবাড়ির সর্বশেষ জমিদার ছিলেন কিরণ শঙ্কর রায়। তিনি রাজনীতি ও অধ্যাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শিল্প-সংস্কৃতির প্রতিও বিস্তর আগ্রহ ছিল তার। জ্ঞানচর্চা ও রাজনীতির সুবাদে নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ উপমহাদেশের তৎকালীন বরেণ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। জমিদার কিরণ শঙ্কর তার পূর্বসূরিদের তুলনায় প্রজাবৎসল ছিলেন।</p>
<p>বিদ্রোহী কবির আনাগোনাও ছিল এই জমিদারবাড়িতে। জীবদ্দশায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এখানে চারবার এসেছিলেন। আসা-যাওয়া আর গান-বাজনার ফাঁকে নজরুলের প্রিয় খিলিপানের সূত্র ধরেই প্রমীলার সঙ্গে পরিচয়, অতঃপর প্রেম-পরিণয়। প্রমীলার বাবা বসন্তকুমার ছিলেন ত্রিপুরা জমিদারের নায়েব। থাকতেন জমিদারবাড়ির পাশেই; ত্রিপুরা জমিদারের বিশ্বস্ত বার্তাবাহক হিসেবে জমিদার কিরণ শঙ্করের পছন্দের মানুষ ছিলেন তিনি। সে কারণেই তার মেয়ে আশালতা ওরফে দোলনা, মতান্তরে দুলি (প্রমীলা) জমিদারের কাছে মেয়ের মতোই ছিলেন। পরবর্তীতে নজরুল-প্রমীলার বিয়ের সংবাদে খুশি হয়ে নবদম্পতির সম্মানে পক্ষকালজুড়ে সংবর্ধনা-গানের আয়োজনও করেছিলেন।</p>
<p>জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পরও নজরুল-প্রমীলাকে মনে রেখেছে এলাকার মানুষ। এখনও তাদের জš§-মৃত্যুবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়। সেখানে রাস্তার নামকরণ, পাঠাগারও গড়ে তুলেছে তরুণরা। সে সঙ্গে নজরুল-প্রমীলার স্মৃতি ধরে রাখতে পরিত্যক্ত জমিদারবাড়ি সংস্কার করে নজরুল-প্রমীল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার দাবিও উঠছে। জমিদারবাড়ির জমি অবৈধ দখলদার থেকে উদ্ধার করা গেলে সেই স্বপ্নও হয়তো একদিন পূরণ হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘ককস’ সাহেবের ‘কক্সবাজার’</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 21:04:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5071</guid>

					<description><![CDATA[বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে সাগরকন্যাখ্যাত কক্সবাজার জেলা। চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে পাহাড়, সাগর, দ্বীপ, নদী ও সমতল ভূমি মিলিয়ে&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে সাগরকন্যাখ্যাত কক্সবাজার জেলা। চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে পাহাড়, সাগর, দ্বীপ, নদী ও সমতল ভূমি মিলিয়ে প্রকৃতির এক অনন্য মিলনস্থল কক্সবাজার। এ জেলায় রয়েছে ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্রসৈকত। বিশ্বের দীর্ঘতম ওই সৈকত স্বাস্থ্যকর স্থান। কক্সবাজার জেলার উত্তরে চট্টগ্রাম, পূর্বে বান্দরবান, বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমানা বিভক্তকারী নাফ নদী-মায়ানমার আর দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর। জেলার আয়তন প্রায় দুই হাজার ৪৯২ বর্গকিলোমিটার।</p>
<p>কক্সবাজার একসময় ‘প্যানেওয়া’ নামে পরিচিতি ছিল, যার সাহিত্যিক নাম ‘হলুদ ফুল’। এছাড়া ‘পালংকি’ নামটিও জড়িয়ে ছিল এ জেলার সঙ্গে। আধুনিক কক্সবাজারের নামকরণ করা হয়েছে প্রখ্যাত ব্রিটিশ নৌ-অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্সের নামানুসারে, যিনি ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার আর্মি অফিসার ছিলেন। কক্সবাজারের ইতিহাস জানতে ফিরে যেতে হবে আরো অতীতে; মোগল শাসকদের আমলে। সে সময় কক্সবাজার হয়ে আরাকান প্রদেশে যাওয়ার পথে মোগল শাসক শাহ সুজা ওই অঞ্চলের পাহাড় ও সমুদ্রের মেলবন্ধনে সৃষ্ট অপার সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে ঘাঁটি গাড়েন। প্রায় এক হাজার পালকিসহ সেখানে অবস্থান নেয় শাসকের সেনাবহর। তখন পালকি ‘ঢুলি’ নামেও পরিচিত ছিল। মোগল সম্রাটের পালকি রাখার ঘটনাকে ঘিরে একটি এলাকার নামকরণ করা হয়েছে ‘ডুলাহাজারা’, এটি বর্তমানে চকরিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন।</p>
<p>মোগল সাম্রাজ্যের পতনের পর ওই অঞ্চল টিপরা ও আরাকানদের দখলে চলে যায়। পর্তুগিজরাও কিছু সময় ওই অঞ্চল শাসন করে। ইংরেজ শাসনামলে পুরো অঞ্চলের দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্যাপ্টেন হিরাম ককস-কে। তিনি প্রথম সেখানে একটি বাজার স্থাপন করেন। ওই বাজারটি শুরুতে ‘ককস সাহেবের বাজার’ নামে পরিচিত ছিল। এটিই পরবর্তী সময়ে ককসবাজার বা কক্সবাজার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। প্রসঙ্গত হিরাম ককস ১৭৯৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।</p>
<p>ককস সাহেবের ওই বাজার মহকুমায় পরিণত হয় ১৮৫৪ সালে। ইংরেজ ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার অবসানের পর কক্সবাজার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সীমানাভুক্ত হয়। স্বাধীনতার ১৩ বছর পর ১৯৮৪ সালে ‘কক্সবাজার মহকুমা’র তকমা মুছে জেলায় রূপান্তরিত হয়। কক্সবাজার পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হন ক্যাপ্টেন অ্যাডভোকেট ফজলুর করিম। তিনি সাগরসৈকতের পাশ দিয়ে বনায়নের সূচনা করেন, যা পর্যটনের বিকাশ ও সাগরের জোয়ারের হাত থেকে জেলাটিকে রক্ষায় ভূমিকা রাখে। কক্সবাজারে পাবলিক লাইব্রেরি ও টাউন হলও তিনি স্থাপন করেন।</p>
<p>সাগরের বেলাভূমি, ভৌগোলিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কল্যাণে কক্সবাজার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পট হিসেবে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনস, সোনাদিয়া দ্বীপ, পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী, কুতুবদিয়া দ্বীপ, রম্যভূমি রামু, কলাতলী ও ইনানী সমুদ্রসৈকত, হিমছড়ি ঝরনা, বৌদ্ধ মন্দির, ইতিহাসখ্যাত কানারাজার গুহা, রাখাইন পল্লির টানে ফি বছর দেশ ও বিদেশের পর্যটকরা কক্সবাজারে আসেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘কিয়া-মল-ঙ্কিয়া’-‘কমলাঙ্ক’-‘কুমিল্লা’</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b2-%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b2-%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 21:02:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5068</guid>

					<description><![CDATA[গোমতী-মেঘনা-তিতাস-ডাকাতিয়ার লালিত কুমিল্লা প্রাচীন জনপদের একটি। এ জেলায় রয়েছে লালমাই, ময়নামতী, শালবন বিহার, শাহ সুজা মসজিদ, কোটিলামুড়া, চণ্ডীমুড়া, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গোমতী-মেঘনা-তিতাস-ডাকাতিয়ার লালিত কুমিল্লা প্রাচীন জনপদের একটি। এ জেলায় রয়েছে লালমাই, ময়নামতী, শালবন বিহার, শাহ সুজা মসজিদ, কোটিলামুড়া, চণ্ডীমুড়া, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ওয়ার সিমেট্রি, ধর্মসাগর, রানীর দিঘিসহ নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন, যা ইতিহাসবিদ ও পর্যটককে টানে।</p>
<p>বর্তমান কুমিল্লা চট্টগ্রাম বিভাগের অধীনস্থ একটি জেলা। প্রাচীনকালে এটি সমতট জনপদের অন্তর্গত ছিল। পরবর্তী সময়ে ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ হয়েছিল। ‘কুমিল্লা’ নামকরণ সম্পর্কে অনেকগুলো প্রচলিত মত-ধারণা রয়েছে। তবে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় চৈনিক পরিব্রাজক ওয়াঙ চোয়াঙয়ের তৎকালীন সমতট রাজ্য পরিভ্রমণ বৃত্তান্ত থেকে। তার বর্ণনায় ‘কিয়া-মল-ঙ্কিয়া’ নামক একটি স্থানের বিবরণ রয়েছে। সে শব্দটি থেকে প্রথমে ‘কমলাঙ্ক’, পরে ‘কুমিল্লা’ নামকরণ হয়েছে বলে পরবর্তীকালে মত দিয়েছেন পণ্ডিতরা।</p>
<p>এ অঞ্চলে প্রাপ্ত প্রাচীন নিদর্শন থেকে জানা যায়, খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দী থেকে ত্রিপুরা গুপ্ত সম্রাটদের অধিকারভুক্ত ছিল। ঐতিহাসিকদের মতে, সপ্তম থেকে অষ্টম শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত এ অঞ্চলে বৌদ্ধ দেববংশ রাজত্ব করে। নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা হরিকেলের রাজাদের শাসনাধীনে আসে। প্রতœতাত্ত্বিক তথ্যমতে, দশম হতে একাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত প্রায় দেড়শ বছর এ অঞ্চল চন্দ্র রাজবংশের নিয়ন্ত্রণে ছিল।</p>
<p>মধ্যবর্তী সময়ে মোগলদের হাত থেকে ১৭৬৫ সালে এটি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে। রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কোম্পানি ১৭৬৯ সালে তৎকালীন ঢাকা প্রদেশে একজন সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ করে। ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে কুমিল্লাকে কালেক্টরের অধীনে আনা হয়। এরপর ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে ত্রিপুরা জেলা গঠনের মাধ্যমে ত্রিপুরা কালেক্টরেটের যাত্রা শুরু হয়। ১৭৯৩ সালে তৃতীয় রেগুলেশন অনুযায়ী ত্রিপুরা জেলায় একজন দেওয়ানি জজ নিযুক্ত করে সে বছরই তাকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়। ১৮৩৭ সালে ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টরের পদগুলোকে পৃথক করা হয়। ১৮৫৯ সালে পদ দুটিকে একত্র করা হয়। পরের বছর ১৯৬০ সালে তৎকালীন ত্রিপুরার বাংলাদেশ অংশের নাম করা হয় ‘কুমিল্লা’। তখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ হয় জেলা প্রশাসক।</p>
<p>১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে কুমিল্লার দুটি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৃথক জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। দেশের বিভিন্ন আন্দোলনে কুমিল্লার সম্পৃক্ততার ইতিহাস খুবই সমৃদ্ধ। ১৭৬৪ সালে সমশের গাজীর নেতৃত্বে সংঘটিত ত্রিপুরা রাজাদের বিরুদ্ধে ‘কৃষক আন্দোলন’, ১৯২১ খ্রিস্টাব্দের ২১ নভেম্বর প্রিন্স ওয়ালেসের ভারত ভ্রমণের প্রতিবাদে দেশব্যাপী ধর্মঘট, ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মোহিনী গ্রামের প্রায় চার হাজার চাষি রাজস্ব প্রদানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে লাকসামের হাসনাবাদে কৃষকদের মিছিলসহ বেশকিছু সংগ্রামী অতীত রয়েছে। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে কুমিল্লার সাধারণ মানুষ অংশ নিয়েছে। কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট, লাকসাম, হোমনা, বেলতলী ও রসুলপুরসহ কুমিল্লার বেশ কয়েকটি স্থানে গণহত্যা সংঘটিত হয়। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সংগীতজ্ঞ শচীন দেব বর্মণ, রাজনীতিবিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, কুমিল্লা মডেলের পথিকৃৎ ড. আখতার হামিদ খানসহ বহু গুণী মানুষের স্মৃতিধন্য এ জেলা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b2-%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘কুষ্টি বন্দর’ বা ‘ছাই দ্বীপ’ থেকে ‘কুষ্টিয়া’</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 20:54:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5063</guid>

					<description><![CDATA[কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম ও উত্তরে পদ্মা নদীর অপর তীরে রাজশাহী, নাটোর ও পাবনা, দক্ষিণে ঝিনাইদহ, পুবে রাজবাড়ী আর পশ্চিমে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম ও উত্তরে পদ্মা নদীর অপর তীরে রাজশাহী, নাটোর ও পাবনা, দক্ষিণে ঝিনাইদহ, পুবে রাজবাড়ী আর পশ্চিমে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ভারতের নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা। ভারতের সঙ্গে কুষ্টিয়ার ৪৬ দশমিক ৬৯ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বাংলাদেশকে করেছে সমৃদ্ধ। ‘বিষাদ সিন্ধু’র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন ও বাউল সম্রাট লালনের তীর্থভূমি কুষ্টিয়া। গীতিকার, সুরকার ও কবি আজিজুর রহমানের বাস্তুভিটা ও কবর, কবি দাদ আলী, লেখিকা মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা, ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’ গানের রচয়িতা আবু জাফর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান, কুষ্টিয়ার সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠাতা কাঙাল হরিনাথ, নীল বিদ্রোহের নেত্রী প্যারী সুন্দরী, স্বদেশী আন্দোলনের নেতা বাঘা যতিন, প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সংগীতশিল্পী মো. আবদুল জব্বার, ফরিদা পারভীনসহ অসংখ্য গুণীজনের পীঠস্থান কুষ্টিয়াকে সমৃদ্ধ করেছে।</p>
<p>কুষ্টিয়ার নামকরণ নিয়ে রয়েছে নানা লোকগাথা। এখানে এক সময় কোষ্টা (পাট) চাষ হতো বলে ‘কোষ্টা’ শব্দ থেকে ‘কুষ্টিয়া’ নামকরণ হয়েছে। হেমিলটনের গেজেটিয়ারে উল্লেখ আছে, স্থানীয় জনগণ একে ‘কুষ্টি’ বলে ডাকতো, পরে এর নাম হয়েছে ‘কুষ্টিয়া’। অনেকের মতে, ফরাসি শব্দ ‘কুশতহ’, যার অর্থ ‘ছাই দ্বীপ’ থেকে কুষ্টিয়ার নামকরণ হয়েছে। সম্রাট শাহজাহানের সময় ‘কুষ্টি বন্দর’কে কেন্দ্র করে ‘কুষ্টিয়া’ শহরের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।</p>
<p>১৭২৫ খ্রিষ্টাব্দে কুষ্টিয়া নাটোর জমিদারির অধীনে ছিল। পরে এর পৃথক পরিচিতি আসে কাণ্ডানগর পরগণার রাজশাহী ফৌজদারির সিভিল প্রশাসনের অন্তর্ভুক্তিতে। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৭৬ সালে কুষ্টিয়াকে যশোরের অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু ১৮২৮ সালে এটি পাবনা জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে নীল বিদ্রোহের কারণে কুষ্টিয়া মহকুমা প্রতিষ্ঠা হয়। ১৮৭১ সালে কুমারখালী ও খোকসা থানা নিয়ে কুষ্টিয়া মহকুমা নদীয়ার অন্তর্গত হয়। ভারত উপমহাদেশ বিভক্তির আগে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার আওতায় একটি মহকুমা ছিল।</p>
<p>১৯৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার অভ্যুদয় ঘটে। তখন তিনটি মহকুমা নিয়ে গঠিত ছিল এ জেলা। এগুলো হলো কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর। এরপর ১৯৮৪ সালে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা হিসেবে আলাদা হয়ে গেলে কুষ্টিয়া মহকুমার ৬টি থানা নিয়ে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা গঠন হয়।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘নন্দকিশোর’ প্রামাণিকের ‘কিশোরগঞ্জ’</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 20:47:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5059</guid>

					<description><![CDATA[হাওর-বাঁওড় ও সমতল ভূমি নিয়ে বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতির বিস্তীর্ণ জনপদ কিশোরগঞ্জ। গ্রাম-বাংলার শাশ্বত রূপ বৈচিত্র্য ও সোনালি ঐতিহ্যের ধারায় এ জেলার&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হাওর-বাঁওড় ও সমতল ভূমি নিয়ে বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতির বিস্তীর্ণ জনপদ কিশোরগঞ্জ। গ্রাম-বাংলার শাশ্বত রূপ বৈচিত্র্য ও সোনালি ঐতিহ্যের ধারায় এ জেলার সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। নরসুন্দা নদী বিধৌত কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহ্য ব্যাপকভাবে প্রসারিত। প্রশাসনিক পরিসরে ‘কিশোরগঞ্জ জেলা’ দেশের অন্যতম বৃহৎ জেলা।</p>
<p>কিশোরগঞ্জের উত্তরে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ। দক্ষিণে নরসিংদী। পূর্বে হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া। পশ্চিমে গাজীপুর। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক নিরোদ চন্দ্র চৌধুরী তার ‘দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান’ গ্রন্থের শুরুতে গর্ব করে লিখেছেন ‘কিশোরগঞ্জ ইজ মাই বার্থ প্লেস’। জেলার লোকজসংগীত, পালা, কীর্তন, কিস্সা, জারিগান, নৌকাবাইচের গান, বিয়ের প্রবাদ-প্রবচন, পুঁথি, টপ্পা, হাস্য রসাত্মক শ্লোক আর ধাঁধা ইত্যাদি আমাদের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যকে বিশ্ববাসীর সামনে আজও স্বাতন্ত্র্য ও স্বকীয়তায় উজ্জ্বল করে রেখেছে।</p>
<p>১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দের ১ মে ভারতীয় উপমহাদেশের একসময়কার বৃহত্তম জেলা ময়মনসিংহ প্রতিষ্ঠিত হয়। আজকের কিশোরগঞ্জ জেলা ময়মনসিংহের অন্তর্গত ছিল। ঐতিহাসিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তৎকালীন বাজিতপুর, নিকলী, হোসেনপুর ও জঙ্গলবাড়ির মতো প্রাচীন ইতিহাসসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলো বর্তমান কিশোরগঞ্জের সীমানাভুক্ত। ১৮৬০ সালে কিশোরগঞ্জ মহকুমার জš§। মহকুমার প্রথম প্রশাসক ছিলেন মি. বকসেল। বর্তমান কিশোরগঞ্জ তৎকালীন জোয়ার হোসেনপুর পরগনার অন্তর্ভুক্ত ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকেও কিশোরগঞ্জ এলাকাটি ‘কাটখালী’ নামে সমধিক পরিচিত ছিল।</p>
<p>বিজ্ঞজনদের ধারণা ও জনশ্রুতি থেকে অনুমান করা হয়, এ জেলার জমিদার ব্রজকিশোর মতান্তরে নন্দকিশোর প্রামাণিকের ‘কিশোর’ ও তার প্রতিষ্ঠিত হাট বা গঞ্জের ‘গঞ্জ’ শব্দ দুটি যোগ করে কিশোরগঞ্জ নাম দেওয়া হয়েছে। মহকুমা প্রতিষ্ঠার সময় নিকলী, বাজিতপুর ও কিশোরগঞ্জ এ তিনটি থানা ছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আরও ১৩টি থানা নিয়ে কিশোরগঞ্জকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রথম জেলা প্রশাসক ছিলেন এমএ মান্নান।</p>
<p>কিশোরগঞ্জের সবচেয়ে বড় ঐতিহ্য শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। প্রায় ছয় দশমিক ৬১ একর জমিজুড়ে ওই ঈদগাহ। এটি এশিয়া মহাদেশে সর্ববৃহৎ ঈদের জামাতে প্রায় দুই লাখের বেশি মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেন। ইতিহাস অনুযায়ী, ১৭৫০ সালে সেখানে প্রথম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে শোলাকিয়া ঈদগাহের বয়স আড়াইশ বছরের বেশি। প্রতিষ্ঠার প্রায় ৭৮ বছর পর ১৮২৮ সালে প্রথম বড় জামাতে ওই মাঠে একসঙ্গে ১ লাখ ২৫ হাজার বা সোয়া লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। ওই ‘সোয়া লাখ’ থেকেই ওই মাঠের নাম হয় ‘সোয়ালাখিয়া’, যা উচ্চারণ বিবর্তনে হয়েছে ‘শোলাকিয়া’।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘ভবানীগঞ্জ’ থেকে ‘গাইবান্ধা’</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 20:44:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5056</guid>

					<description><![CDATA[রংপুর জেলা কালেক্টরেটের আওতায় ২৪টি থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান গাইবান্ধায় সেই সময়ে তিনটি থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ইদ্রাকপুর মহকুমায়&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="entry-content-wrap clearfix">
<div class="entry-content body-color clearfix link-color-wrap progresson">
<p>রংপুর জেলা কালেক্টরেটের আওতায় ২৪টি থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান গাইবান্ধায় সেই সময়ে তিনটি থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ইদ্রাকপুর মহকুমায় ২৭৮ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা ও ১৮৮ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে সাদুল্যাপুর থানা গঠিত হয়। আর ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাতিলাদহ পরগনায় ৯৩ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে ভবানীগঞ্জ থানা প্রতিষ্ঠা পায়।</p>
<p>ইংরেজ শাসনামলে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীপথে ফকির মজনু শাহ, দেবী চৌধুরানী ও ভবানী পাঠকসহ বিদ্রোহীরা তাদের তৎপরতা চালাতেন। রংপুর জেলা থেকে বিদ্রোহীদের তৎপরতা বন্ধ করা সম্ভব ছিল না। তাই প্রশাসনিক কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে ভবানীগঞ্জ থানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তী সময়ে ভবানীগঞ্জ থানাতেই প্রথম ফৌজদারি শাসন ব্যবস্থা চালু হয়। ১৮৫৮ সালে</p>
<p>সাদুল্যাপুর ও ভবানীগঞ্জ থানা নিয়ে ভবানীগঞ্জ নামে এক মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। পর্যায়ক্রমে সাঘাটা, ফুলছড়ি, পলাশবাড়ী ও সর্বশেষে ১৮৭০ সালে সুন্দরগঞ্জ থানা ভাবানীগঞ্জ মহকুমার অন্তর্ভুক্ত হয়।</p>
<p>ভবানীগঞ্জ মহকুমা পাতিলাদহ পরগণায় স্থাপিত হলেও মহকুমার পশ্চিমাংশ (বর্তমান গাইবান্ধা শহর এলাকা) বাহারবন্দ পরগণায় ছিল। আর এ দুই এলাকা ছিল দুজন প্রতিদ্বন্দ্বী জমিদারের অধীনে। ১৮৭২ সালে ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বপাড়জুড়ে ভবানীগঞ্জ মহকুমায় নদী ভাঙন শুরু হয়। নদী ভাঙনের কারণে ১৮৭৫ সালের শেষদিকে পাতিলাদহ পরগণার ভবানীগঞ্জ মৌজা থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে রাজা বিরাটের কথিত গো-শালা ও গো-চারণভূমি হিসেবে পরিচিত ‘গাইবান্ধা’ নামক স্থানে মহকুমা সদর স্থানান্তর করা হয়। মহকুমা স্থানান্তর নিয়ে ভবানীগঞ্জের জমিদার ঠাকুর পরিবার ও থানসিংপুরের জমিদার লাহিড়ী পরিবারের মধ্যে চরম দ্বন্দ্বে^র সৃষ্টি হয়। উভয় জমিদার তাদের নিজ নিজ জমিদারিতে নতুন মহকুমা সদর স্থাপনের চেষ্টা চালান। কয়েকজন আইনজীবী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার উদ্যোগে ১৮৭৫ সালে মহারানী স্বর্ণময়ীর দান করা বাহারবন্দ পরগণায় নতুন প্রশাসনিক ভবন ও আদালত ভবন প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন হতে শুরু করলে ভবানীগঞ্জ মহকুমার নাম বদলে গাইবান্ধা মহকুমা নামকরণ করা হয়। তবে মহুকুমার নাম বদলেও তিন জমিদারের আভিজাত্যের লড়াই মুখ্য ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p>নতুন নামে, নতুন স্থানে গাইবান্ধা মহকুমার গোড়াপত্তন হওয়ার পর শহর গড়ে উঠতে শুরু করে। গাইবান্ধা শহরের গোড়াপত্তনের পর ধীরে ধীরে জনসংখ্যা বাড়তে থাকে। গত শতকের আশির দশকে মহকুমাগুলোকে জেলায় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা মহকুমাও জেলায় উন্নীত হয়।</p>
<p>‘গাইবান্ধা’ নামকরণ ঠিক কবে নাগাদ হয়েছে, তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ১৮৭৩ সালে রংপুরের কালেক্টর ইজি গ্লেজিয়ারের তৈরি রিপোর্টে গাইবান্ধা নামটি ইংরাজিতে লেখা হয়েছে।</p>
<p>‘গাইবান্ধা’ নামকরণ সম্পর্কে দুইটি জনশ্রুতি রয়েছে। বলা হয়, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকায় রাজা বিরাটের রাজধানী ছিল। তার গাভীর সংখ্যা ছিল ৬০ হাজার। মাঝে মাঝে ডাকাতরা এসে বিরাট রাজার গাভী লুণ্ঠন করে নিয়ে যেতো। সেজন্য বিরাট রাজা একটি বিশাল পতিত প্রান্তরে গো-শালা স্থাপন করেন। গাভীর খাদ্য ও পানির সংস্থান নিশ্চিত করতে নদী তীরবর্তী ঘাসের জমিতে স্থাপন করা হয় এটি। কিংবদন্তি অনুসারে গাভী বেঁধে রাখার স্থান অনুসারে এলাকার নাম হয়েছে ‘গাইবাঁধা’ ও কালক্রমে তা ‘গাইবান্ধা’ নামে পরিচিতি লাভ করে।</p>
<p>এ বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। কারণ গাইবান্ধার সঙ্গে রাজা বিরাটের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। অবশ্য মোশাররফ হোসেন  প্রণীত ‘দিনাজপুরের ইতিহাস’ গ্রন্থে ঐতিহাসিক বুকাননের উদ্ধৃৃতির মাধ্যমে, ‘কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে বিরাট রাজা পাণ্ডবদের পক্ষ অবলম্বন করেন এবং পুত্রসহ নিহত হন’ বিরাট রাজা সম্পর্কে জানা যায়।</p>
<p>তবে রাজা বিরাটের গো-চারণভূমির সঙ্গে গাইবান্ধা নামকরণের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও গরু বা গাভী বাঁধা থেকেই যে ‘গাইবান্ধা’ নামকরণ হয়েছে তা অনুমান করা যায়। একই সঙ্গে জমিদার ভগদত্তের গোয়ালঘর বা গো-শালার নামানুসারেও ‘গাইবান্ধা’ নাম হয়েছে বলেও ধারণা করা হয়।</p>
</div>
</div>
<footer class="entry-footer">
<div class="share-it share-it-2 share-it-bold share-it-count-0 share-it-after tipi-flex"><a class=" share-button share-button-fb" href="https://www.facebook.com/sharer/sharer.php?u=https%3A%2F%2Fsharebiz.net%2Fold%2F%25e0%25a6%25b6%25e0%25a7%2587-%25e0%25a6%2595-%25e0%25a7%259c-%25e0%25a6%2595-%25e0%25a6%25a5-%25e0%25a6%25a8-%25e0%25a6%25ad%25e0%25a6%25ac%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%2580%25e0%25a6%2597%25e0%25a6%259e%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%259c-%25e0%25a6%25a5%25e0%25a7%2587%2F" target="_blank" rel="noopener nofollow" aria-label="Share" data-title="Share"><span class="share-button-content tipi-vertical-c"><i class="tipi-i-facebook"></i><span class="social-tip font-base font-1">Share</span></span></a></div>
</footer>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খুলনেশ্বরী থেকেই খুলনা</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 20:41:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5053</guid>

					<description><![CDATA[খুলনা একসময় আয়তনে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম ও লোকসংখ্যায় দশম স্থানে ছিল। সে সময় ‘খুলনা জেলা’ বলতে খুলনা সদর, বাগেরহাট ও&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>খুলনা একসময় আয়তনে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম ও লোকসংখ্যায় দশম স্থানে ছিল। সে সময় ‘খুলনা জেলা’ বলতে খুলনা সদর, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা মহকুমার সম্মিলিত অংশকে বোঝানো হতো। নদ-নদীসহ বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের আয়তন ছিল চার হাজার ৬৯৭ বর্গমাইল। প্রসঙ্গত, অবিভক্ত বাংলার প্রথম মহকুমা ছিল খুলনা।</p>
<p>১৮৮২ সালের ১ জুন খুলনা জেলা গঠন করা হয়। এ প্রসঙ্গে সে বছর ‘The Calcutta gazette ১৯ ও ২৬ এপ্রিল সংখ্যায় দুটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হয়। ওই প্রজ্ঞাপন ব্রিটিশ সরকারের তরফ থেকে জারি করা হয়েছিল ১৪ ও ২৫ এপ্রিল। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী খুলনা জেলার জন্ম ১৮৮২ সালের ১ মে।</p>
<p>গল্পের শেষ নেই ‘খুলনা’ নামকরণ নিয়ে। এক সময় ওই অঞ্চল ছিল সুন্দরবনের ঘন জঙ্গলে ঢাকা। লোকালয়ের একেবারে শেষ প্রান্তকে বলা হতো ‘নয়াবাদ’ বা নতুন আবাদ। সদ্য বন কেটে বসবাস ও আবাদযোগ্য করার কারণে এমন নাম করা হয়েছিল। নয়াবাদ নামটি ইংরেজ শাসনামলেও বহাল ছিল।</p>
<p>সেকালেও মৌয়ালরা মধু সংগ্রহ করতে ও কাঠুরেরা কাঠ কাটতে সুন্দরবনে যেতেন। তবে সন্ধ্যার পর বনের ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করতেন না কেউ। জনশ্রুতি আছে, সন্ধ্যাবেলা নয়াবাদের ঘাটে কোনো দুঃসাহসী মাঝি নোঙর তোলার জন্য রশিতে হাত দিলে বনের মধ্য থেকে বনদেবতা বলে উঠতেন, ‘খুলো না, খুলো না।’ পরে স্থানটি যখন বাসযোগ্য হয়, তখন নাম দেওয়া হয় ‘খুলনা’।</p>
<p>এছাড়া চণ্ডী কাব্য থেকে জানা যায়, বহুকাল আগে অজয় নদীর তটে ছিল উজানি বা উজ্জয়িনী নগর। সেই নগরে বাস করতেন ধনপতি সওদাগর। তিনি সপ্তডিঙা মধুকর সাজিয়ে বন্দরে বন্দরে বাণিজ্য করে বেড়াতেন। তার দুই স্ত্রী ছিলেন লহনা ও খুলনা। বড় স্ত্রী লহনা ছিলেন হিংসুটে আর ছোট স্ত্রী খুলনা ছিলেন পতিপরায়ণা। একবার ধনপতি বাণিজ্যে বের হন। সুযোগ পেয়ে লহনা তখন খুলনার ওপর অত্যাচার শুরু করেন। সওদাগর বাণিজ্য শেষে ফিরে এসে খুলনার ওপর লহনার অত্যাচারের কথা শোনেন। এতে ছোট স্ত্রী খুলনার প্রতি তার দরদ ও মুগ্ধতা আরও বেড়ে যায়। বর্তমান খুলনা শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে কপোতাক্ষ নদের তীরে কপিলমুনি গ্রামে সওদাগরপতত্নী খুলনা কিছুদিন বসবাস করেছেন। ধনপতি তার স্ত্রী লহনা-খুলনার নাম স্মরণীয় করে রাখতে কপিলমুনি থেকে দক্ষিণ মুখে লহনা-খুলনা সড়ক সেতু নির্মাণ করেন। এছাড়া ভৈরব নদের দক্ষিণ পাড়ে খুলনেশ্বরী নামে চণ্ডীদেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। অন্য পাড়ে প্রতিষ্ঠা করেন লহনেশ্বরী মন্দির। এ</p>
<p>খুলনেশ্বরী থেকেই ‘খুলনা’ নামের উৎপত্তি হয় বলে মনে করেন অনেকে।</p>
<p>যে কারণেই নামকরণ হোক না কেন, হালের খুলনার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। সুন্দরবন এ জেলাকে অন্য জেলাগুলোর তুলনায় প্রাকৃতিকভাবে অনেক বেশি সমৃদ্ধশালী ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘পালোয়ান গাজী’র গড়া জনপদ ‘গাজীপুর’</title>
		<link>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 20:39:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শেকড় কথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://capitalnewsbd.com/?p=5050</guid>

					<description><![CDATA[শিল্প-বাণিজ্য ও ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ গাজীপুর জেলা। ইতিহাসখ্যাত ভাওয়াল পরগনার গহীন বনাঞ্চল আর গৈরিক মাটির ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শিল্প-বাণিজ্য ও ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ গাজীপুর জেলা। ইতিহাসখ্যাত ভাওয়াল পরগনার গহীন বনাঞ্চল আর গৈরিক মাটির ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। গাজীপুর জেলার উত্তরে</p>
<p>ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ, পূর্বে কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী, দক্ষিণে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও পশ্চিমে ঢাকা-টাঙ্গাইল।</p>
<p>১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সূচনাপর্বে গাজীপুরেই প্রথম পাকিস্তানি অপশক্তির বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। পাকিস্তানি সৈন্যদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সে হিসেবে দেশের ইতিহাসে এ জেলার অবস্থান উল্লেখযোগ্য।</p>
<p>এবার গাজীপুর জেলার নামকরণ প্রসঙ্গে আসা যাক। প্রথমে এ অঞ্চলের নাম ছিল ‘ভাওয়াল’। পরবর্তী সময়ে ভাওয়ালের জমিদার জয়দেব নারায়ণ রায় চৌধুরী পীরাবাড়ি গ্রামের চিলাই নদীর পাড়ে একটি ঘর নির্মাণ করেছিলেন। বসবাসের সূত্রেই জমিদার নারায়ণ রায় চৌধুরী নিজের নামের সঙ্গে মিলিয়ে অঞ্চলটির নাম রেখেছিলেন ‘জয়দেবপুর’। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ নামই বহাল ছিল। গাজীপুর সদরের রেলওয়ে স্টেশনের নাম এখনও ‘জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন’ই রয়ে গেছে।</p>
<p>ইতিহাসবোদ্ধাদের মতে, দিল্লির সম্রাট মুহাম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ‘পালোয়ান গাজী’ নামে একজন কুস্তিগীর বা যোদ্ধা লালমাটির ওই অঞ্চলে প্রথম বসতি স্থাপন করেন। সে সময় এলাকাটি ছিল ঘন জঙ্গলে ভরা। সেখানে ভয়ঙ্কর সব জীবজন্তুর আনাগোনা ছিল। তারপরও সব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে পালোয়ান গাজী জঙ্গল পরিষ্কার করে বসতি স্থাপন করেন। এরপর ধীরে ধীরে ওই এলাকা বসবাসের উপযোগী হয়ে ওঠে। সময়ের পরিক্রমায় ‘গাজী’ বংশ বেশ পরিচিতি ও সুনাম অর্জন করে। পরবর্তীকালে অনেকদিন এ এলাকায় শাসনভারও ছিল গাজী পরিবারের ওপর। সুশাসন ও সুন্দর ব্যবহারের কারণে ওই বংশের প্রতি সবার সম্মান ছিল উল্লেখ করার মতো। যে কারণে গাজী বংশের সুশাসনের প্রতি সম্মান রেখেই পালোয়ান গাজীর নামানুসারে লালমাটির এ জেলার নাম রাখা হয় গাজীপুর।</p>
<p>বর্তমান গাজীপুর জেলায় জাতীয় পর্যায়ের নানা প্রতিষ্ঠানের সদর দফতর রয়েছে। এসবের মধ্যে ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা (কেপিআই), পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের একমাত্র হাইটেক পার্ক অন্যতম। আরও আছে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্প-কারখানা। দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বিরাট অংশও রয়েছে এখানে। তাই গাজীপুর এখন শিল্প-বাণিজ্য কেন্দ্র হয়ে উঠছে। শুধু তাই নয়, রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গাজীপুরকে প্রবেশদ্বার হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। গাজীপুরের টঙ্গী উপজেলার তুরাগ নদীর তীরে ফি-বছর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সব মিলিয়ে মানচিত্রে গাজীপুর নিজস্ব একটি অবস্থান করে নিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://capitalnewsbd.com/2025/08/17/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
