সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার (১৩ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৪০২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৭০টিরই শেয়ার দর কমেছে। এদিন ডিএসইতে বড় দর পতনের মুখে পড়েছে বস্ত্রখাতের কোম্পানি ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেড। দিনশেষে ২০ পয়সা দর হারিয়ে দর পতনের তালিকার শীর্ষে ফ্যামিলিটেক্স।
ডিএসইর লেনদেনের তথ্যানুযায়ী, বস্ত্রখাতের কোম্পানি ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেডের শেয়ার দর আগের দিনের ২ টাকা ৫০ টাকা থেকে কমে ২ টাকা ৩০ পয়সায় নেমেছে। দিনশেষে ২০ পয়সা বা ৮ শতাংশ দর হারিয়েছে পিছিয়ে পড়া কোম্পানি ফ্যামিলিটেক্স। দরপতনের মধ্যদিয়ে শেয়ার দর আরও তলানিতে আসার কারণে বিপাকে পড়েছেন ফ্যামিলিটেক্সের বিনিয়োগকারী। কোম্পানিটি এককভাবে দর পতনের শীর্ষে অবস্থান করছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
রবিবার দর হারানোর শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় ফ্যামিলিটেক্সের পরেই রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব রূপালী ব্যাংক। ব্যাংকটির শেয়ার দর আগের দিন ছিল ২৪ টাকা। যা রবিবার ১ টাকা ৫০ পয়সা কমে ২২ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এ হিসেবে দিনশেষে ১ টাকা ৫০ পয়সা বা ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ দর হারিয়েছে রূপালী ব্যাংক। আর তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে পেনিনসুলা চিটাগাং। চট্রগ্রামকেন্দ্রিক এই হোটেলটির শেয়ার দর রবিবার ৬০ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ দর কমে ১০ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
, রবিবার ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা বাকি ৭ কোম্পানি-
- দেশ গার্মেন্টস (DSHGARME): ১২৩ টাকা ৬০ পয়সা থেক ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ কমে ১১৭ টাকা ৭০ পয়সায় নেমেছে।
- লাভেলো (LOVELLO): আগের দিনের ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ কমে ৯৫ টাকা ৩০ পয়সায় নেমেছে।
- এবি ব্যাংক (ABBANK): আগের দিনের ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৪ দশমিক ১৬৬৭ শতাংশ কমে ৬ টাকা ৯০ পয়সায় নেমেছে।
- ভিএফএস থ্রেড (VFSTDL): আগের দিনের ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৪ দশমিক ১৬৬৭ শতাংশ কমে ৬ টাকা ৯০ পয়সায় নেমেছে।
- এস কে ট্রিমস (SKTRIMS): আগের দিনের ১০ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩ দশমিক ৭৭৩৬ শতাংশ কমে ১০ টাকা ২০ পয়সায় নেমেছে।
- সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স (SUNLIFEINS): আগের দিনের ৬১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৩ দশমিক ৭৩৯৮ শতাংশ কমে ৫৯ টাকা ২০ পয়সায় নেমেছে।
- ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (UCB): আগের দিনের ১০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৩ দশমিক ৭০৩৭ শতাংশ কমে ১০ টাকা ৪০ পয়সায় নেমেছে।
রবিবারের লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজারে বিক্রেতার চাপ ছিল বেশি, যার ফলে সিংহভাগ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর কমেছে। এই দরপতন সামগ্রিক বাজার সূচকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
